
কাউখালীর বেতবুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে বক্তারা
সবুজ ও পর্যটনসমৃদ্ধ কাউখালী গড়তে
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বিকল্প নেই
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য পাইচিং মং মারমা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবে বাংলাদেশ যে পরিবেশ-বিপর্যয়ের মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা করছে, তার থেকে বাঁচতে বছরে ৫ কোটি টাকা চারা রোপণ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এই কর্মসূচিকে ফেরি করে বৃহত্তর চট্টগ্রামে গ্রীন চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্স পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণে যে কাজ করছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তারা পার্বত্য অঞ্চলের কাউখালী উপজেলায় নান্দনিক এই কর্মসূচি হাতে নিয়ে বেতবুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০০০ চারা বিতরণ করে কাউখালীকে সবুজায়ন করতে এগিয়ে এসেছে। সবুজ ও পর্যটনসমৃদ্ধ কাউখালী গড়তে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কোনো বিকল্প নেই।
চট্টগ্রামের পরিবেশ, জলবায়ু, কৃষি, স্বাস্থ্য ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘গ্রীন চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্স’র উদ্যোগে ২৯ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, দুপুর বারোটায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার কাউখালী উপজেলাধীন বেতবুনিয়া উপজেলাধীন বেতবুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের পরিবেশ-সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং প্রধানমন্ত্রীর বছরে ৫ কোটি কর্মসূচিকে সফল করতে শিক্ষার্থীদের ২০০০ চারা বিতরণ কর্মসূচি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা স ম জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবী পাইচিং মং মারমা। প্রধান আলোচক ছিলেন বেতবুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ঊষা রানী বড়ুয়া। সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ এমরানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ, মো. শফিকুর রহমান, জয়শ্রী পাল, রত্না রানী দাশ, সহকারী শিক্ষক বিজয় চাকমা, মাইকেল মধুসূদন দেবনাথ, সংগঠনের সদস্য আয়েশা সিদ্দিকা, মো. মহিন উদ্দিন।
প্রধান অতিথি পাইচিং মং মারমা আরো বলেন, গ্রীন চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্স দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে বৃহত্তর চট্টগ্রামের পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণে কাজ করছে। তাদের মতো আরো অন্যান্য সামাজিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে আমাদের প্রকৃতিকে সংরক্ষণ ও সমৃদ্ধ করা যেতো।
আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি ও অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও ঔষধি বৃক্ষের ২০০০ চারা তুলে দেন এবং বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দুটি ঔষুধি চারা রোপণ করেন।
![]()







