- - -

চুয়াডাঙ্গায় প্রশ্ন ফাঁস ও জালিয়াতি অফিস সহায়ক গ্রেপ্তার

img 20261029 wa0272
Print News

চুয়াডাঙ্গায় প্রশ্ন ফাঁস ও জালিয়াতি অফিস সহায়ক গ্রেপ্তার

 

​
চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে নিয়োগ, ভর্তি ও শিফট পরিবর্তনসহ বহুমুখী জালিয়াতির তথ্য সামনে এসেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক শাহজামালকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

​গত ২৬ অক্টোবর বিদ্যালয়ের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এ বি এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকীকে প্রধান করা হয়।

​তদন্তের অংশ হিসেবে শাহজামালের ব্যক্তিগত কম্পিউটার জব্দ করে পরীক্ষা করা হলে জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রশ্ন ফাঁসের পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকদের স্বাক্ষর জাল করে মাস্টার রোলে লোক নিয়োগ দিয়ে আসছিলেন। এছাড়া অফিস সহায়ক পদে কর্মরত থাকা সত্ত্বেও তিনি জালিয়াতির মাধ্যমে কম্পিউটার অপারেটরের স্কেলে বেতন তুলতেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

​শুধু নিয়োগই নয়, জব্দ করা কম্পিউটারে শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও শিফট পরিবর্তনসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও নথি মিলেছে। এর পেছনে কোনো অর্থ লেনদেন বা ভর্তি-বাণিজ্য জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

​অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে ২৮শে অক্টোবর রাত ১১:০০ টায় বিদ্যালয়ে যান তদন্ত কমিটির প্রধান এ বি এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী। নথিপত্র পর্যালোচনার পর রাতেই শাহজামালকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আজ ২৯শে অক্টোবর সকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ রেজাউল করিম বাদী হয়ে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেন।

​অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এ বি এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী জানান, অভিযুক্ত শাহজামালের বিরুদ্ধে জালিয়াতির বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। চূড়ান্ত তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা সম্ভব হবে। একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি এমন প্রশাসনিক অনিয়মের ঘটনায় চুয়াডাঙ্গার শিক্ষা মহলে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa