- - -

দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা কি অস্বীকার করা যাবে? নৈতিক ও বাস্তব দর্শন ভিত্তিক রাষ্ট্রীয় কাঠামোর রূপান্তর সর্বাগ্রে বিবেচনা করতে হবে।

Print News

⛳দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা কি অস্বীকার করা যাবে? নৈতিক ও বাস্তব দর্শন ভিত্তিক রাষ্ট্রীয় কাঠামোর রূপান্তর সর্বাগ্রে বিবেচনা করতে হবে।

🔹 রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার যুগ (১৯৭১–১৯৯১): এই সময়ে মূলত শক্তিশালী নির্বাহী রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল (যদিও ১৯৭২–১৯৭৫ সময়ে সংসদীয় কাঠামো ছিল, পরে তা রাষ্ট্রপতি শাসনে রূপ নেয়)। পুরুষ সরকার প্রধানের এই সময়ে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ও সামরিক প্রভাব ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হয়।

🔹 বহুদলীয় সংসদীয় গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার যুগ (১৯৯১–বর্তমান): ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনের পর পুনরায় সংসদীয় পদ্ধতি চালু হয় এবং প্রধানমন্ত্রী-নির্ভর নির্বাহী কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয়। নারী সরকার প্রধানের এই সময়ে দ্বিদলীয়/দ্বিমেরু রাজনৈতিক দলীয় মেরুকরণ প্রতিযোগিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিলক্ষিত হয়।

বহুদলীয় সংসদীয় গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার যুগের দুইটি উপযুগ রয়েছে:

🔸 উপযুগ–১: “ওয়াক আউট উপযুগ” (১৯৯১–২০০৬): এই সময়ে সংসদে বিরোধী দলের অনুপস্থিতি বা ঘনঘন ওয়াকআউট একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।

🔸 উপযুগ–২: “ভিন্নমত ও রাজনৈতিক দমন উপযুগ” (২০০৮–বর্তমান) ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর থেকে ভিন্নমত দমনের অভিযোগ ও বিতর্ক বৃদ্ধি পায়।

এই উপযুগে সকল রাজনৈতিক দলের অন্তর্ভুক্তির প্রশ্ন আজও বিদ্যমান থাকছে।

সদ্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদীয় নির্বাচনের পরে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলাম এর আমীরের উক্তি অনুসারে সংসদে না যাওয়ার অভিব্যক্তি উপযুগ–১: “ওয়াক আউট উপযুগ” পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে।

🇧🇩 বাংলাদেশ (৫৪ বছর) যার প্রায় ২০ বছর পুরুষ সরকার প্রধান এবং ৩৪ বছর নারী সরকার প্রধান ছিলো। এখন পুরুষ সরকার প্রধানের যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে, কিন্তু অনৈতিক ও দুর্বল এবং স্বৈরাচার পুনরুৎপাদনকারী রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে জনাব তারেক রহমান তিনি নিজে স্বৈরাচার হইতে না চাইলেও নিজেকে কি স্বৈরাচার মুক্ত রাখতে পারবেন?

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa