
সাঁথিয়ায় মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই মোমতা খাতুনের, সরকারি ঘরের আকুতি
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ধুলাউড়ি ইউনিয়নের পুরান ধুলাউড়ি গ্রামের অসহায় নারী মোমতা খাতুন স্বামী মো: কুদরত আলী ফকির তার নিজস্ব কোনো ঘরবাড়ি নেই। মাথা গোঁজার মতো একটি নিরাপদ আশ্রয়ের প্রত্যাশায় তিনি সরকারি সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন। একটি ঘর তাঁর কাছে শুধু স্বপ্ন নয়, বরং নিরাপদে বসবাসের অন্যতম অবলম্বন।
মোমতা খাতুনের স্বামীর নাম মো. কুদরত আলী। তাঁদের বসবাস পুরান ধুলাউড়ি গ্রামে। নিজস্ব ঘর না থাকায় স্থায়ী ও নিরাপদ আবাসনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি উপজেলা প্রশাসনের কাছে সরকারি উদ্যোগে একটি ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।
অসহায় মানুষের জন্য সরকারি আবাসন প্রকল্পের আওতায় একটি ঘর পেলে তাঁর জীবনযাপনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত হলে তিনি স্বামীকে নিয়ে নিশ্চিন্তে বসবাসের সুযোগ পাবেন—এমন প্রত্যাশা তাঁর।
এ বিষয়ে মোমতা খাতুনের আবেদন, “আমার নিজস্ব ঘর নেই। সরকারিভাবে একটি ঘর পেলে স্বামীকে নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে পারব।”
তিনি সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তাঁর অসহায়ত্ব বিবেচনা করে সরকারি আবাসন সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁর আবেদনটি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন তিনি। মোমতা খাতুনের মতো অসহায় ও ঘরহীন মানুষের আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারি সহায়তা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
![]()









