- - -

বালু জব্দ! কিন্তু খেকোরা ধরাছোঁয়ার বাইরে!

Print News

বালু জব্দ! কিন্তু খেকোরা ধরাছোঁয়ার বাইরে!

 

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রায় ৮০০ ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়েছে। তবে অভিযানের খবর পেয়ে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি। এ ঘটনায় আবারও সামনে এসেছে পুরোনো প্রশ্ন – অভিযানের আগেই কীভাবে তথ্য ফাঁস হয় এবং কেন বারবার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান এই অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত অবৈধ অর্থদাতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা?

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার সড়কের সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর সেতুর উত্তর পাশে ভাড়াউড়া এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলনকারীরা ছড়ার অপর পাড় দিয়ে পালিয়ে যান। অভিযানে বালুর পাশাপাশি বেলচা, টুকরি, স্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বা বালূ উত্তোলনে যে সামগ্রী ব্যবহার করা হয় তা জব্দ করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্যের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

অভিযানের তথ্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টসহ প্রশাসনের একাধিক পেজে প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েক মাসে একাধিক অভিযানে ট্রাক, চালক, সহকারী ও শ্রমিকদের আটক করা হলেও এই অবৈধ বাণিজ্যের মূল অর্থদাতা বা প্রভাবশালী নিয়ন্ত্রকদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা খুব কমই দেখা গেছে। মাঠপর্যায়ের কর্মীরা ধরা পড়লেও নেপথ্যের প্রভাবশালীরা থেকে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, অভিযানের আগেই কীভাবে বালু খেকোরা টের পেয়ে যান এবং তথ্য ফাঁসের উৎস কোথায়?

তাদের মতে, শুধু বালু বা সরঞ্জাম জব্দ করে অবৈধ উত্তোলন পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। অর্থদাতা ও মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনা না গেলে অভিযান চালালেও বালু উত্তোলন বন্ধ হবে না বলে মনে করছেন তারা। ফলে ধারাবাহিক অভিযানের পাশাপাশি তথ্য ফাঁসের উৎস শনাক্ত এবং মূল হোতাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জোরালো হয়ে উঠছে। পরিবেশ প্রতিবেশ ধ্বংসকারী খেকোদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থার জোরালো দাবি জানান সাধারণ মানুষ।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa