- - -

সীতাকুণ্ডে জায়গা দখল ও হামলার প্রতিবাদে সাবেক মেম্বার পত্নীর সংবাদ সম্মেলন

সীতাকুণ্ডে জায়গা দখল ও হামলার প্রতিবাদে সাবেক মেম্বার পত্নীর সংবাদ সম্মেলন

​সীতাকুণ্ডের কুমিরা ইউনিয়নের বড় কুমিরা এলাকায় পৈত্রিক ও খরিদকৃত জায়গা দখল এবং পরিবারের সদস্যদের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মরিয়ম বেগম।
২৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবের এক লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি এলাকার শতাধিক লোকজন নিয়ে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

​মরিয়ম বেগম জানান, তার স্বামী আ.ন.ম. আলমগীর, যিনি কুমিরা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার এবং ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করছেন। তার পৈত্রিক এবং খরিদকৃত জমিতে দীর্ঘ সময় ধরে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালী মো. হোসাইন, আমির হোসেন ও নুরুল আলমসহ একদল দুষ্কৃতকারী দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি দখলের পায়তারা করছিল।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১১টার সময় অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে ৫/৬ জনকে সজ্জিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা ​লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে মরিয়ম বেগমের স্বামী আলমগীর এবং তার ছেলে মোর্শেদকে গুরুতর আহত করে।

​হামলাকারীরা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেয়।
​ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) ভর্তি করে। বর্তমানে আলমগীর ও তার ছেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

​মরিয়ম বেগম জানান, সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযুক্ত বাদশা ও বাপ্পী নামক দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে মূল হোতারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় পরিবারটি নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে।

​সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে মরিয়ম বেগম বলেন ​”আমার স্বামী দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সাথে রাজনীতি ও সমাজসেবা করে আসছেন। একটি কুচক্রী মহল তার রাজনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার জন্য এবং আমাদের ভিটেমাটি দখলের উদ্দেশ্যে এই হামলা চালিয়েছে। আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে এই অপরাধীদের কঠোর শাস্তি এবং আমাদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্হিত ছিলেন ক্ষতিগ্রহস্হ জায়গার মারিক মরিয়ম বেগম,স্হানীয় বিেনপি নেতা মোঃ সামছুদ্দোহা, গাজী নিজাম উদ্দিন, জানে আরম, ওমর ফারুখ, মনোয়ারা বেগম, হাছিনা বেগম, কোহিনুর বেগম সহ শতাধিক এলাকাবাসি নারী পুরুষ উপস্হিত থেকে হামলাকারীসন্ত্রাসীদের বিচার দাবী করেন।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn

শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযান ফেন্সিডিল ও মোটরসাইকেল জব্দ মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান থেকে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়েছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)। এসব অভিযানে ৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও একটি চোরাই মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।​বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই দুটি অভিযান পরিচালিত হয়। ​প্রথম অভিযান (চকপাড়া বিওপি): সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ০৬:৫০ মিনিটে চকপাড়া বিওপির একটি বিশেষ টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের নামোচকপাড়া গ্রামে (সীমান্ত পিলার ১৮৩/৩-এস হতে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে) অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী পালিয়ে গেলেও মালিকবিহীন ১টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়।​দ্বিতীয় অভিযান (আজমতপুর বিওপি): একই দিন সকাল ০৮:৫০ মিনিটে আজমতপুর বিওপির আরেকটি বিশেষ টহল দল শাহবাজপুর ইউনিয়নের উপচকপাড়া গ্রামস্থ পাকা রাস্তায় (সীমান্ত পিলার ১৮২/২-এস হতে আনুমানিক ৮০০ গজ অভ্যন্তরে) অভিযান চালায়। এই অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫০ বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়। ​উভয় অভিযানে জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ও মোটরসাইকেলের আনুমানিক বাজার মূল্য ১,৪০,০০০ (এক লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকা। জব্দকৃত মালামালের বিষয়ে আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। ​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি বলেন, “বিজিবি দেশের যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং সকল প্রকার চোরাচালান রোধে বিজিবি’র এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

Su Mo Tu We Th Fr Sa