[bangla_day] - [english_date] - [bangla_date] - [hijri_date]

শ্রীনগরে ঐতিহ্যবাহী নারিকেল ও খেজুরের পাতার পাটি বিলুপ্তর পথে

শ্রীনগরে ঐতিহ্যবাহী নারিকেল ও খেজুরের পাতার পাটি বিলুপ্তর পথে

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় অতীতে প্রতিটি ঘরে বিছানায় হিসেবে ব্যবহার করা হতো নারিকেল ও খেজুরের পাতার পাটি ।
এ পাটি রান্না ঘর ও বসত ঘরের মেঝেতে বিছিয়ে গ্রাম বাংলার মানুষ খাবার খেতেন আবার রাতের বেলা ঘরের মেঝেতে এ পাটিবিছানা হিসাবে ব্যবহার করতেন এবং এ পাটিতে ঘুমাতেন।
তখন প্রতিটি গ্রামঞ্চলে এপাটির খুব কদর ছিল ।আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন গ্রাম।বাংলায় দালান কোঠা উঠায় সেই ঢেউটিনও মাটির ঘরও নেই তাই এ পাটির কদর ও নেই ।পাটিটি বিলুপ্তির পথে হলেও
গ্রামাঞ্চলে যেসব বাড়িতে খেজুর ও নারিকেল গাছ রয়েছেপ্রতিবছর সে সব গাছের ডাল ও পাতা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হয় ।
গাছ পরিচ্ছন্ন করার ফলে কর্তনকৃত ডাল হতে পাতা সংগ্রহ করে গ্রামঞ্চলের গৃহবধূরা এখনও এ পাটি তৈরি করে থাকেন ।
এ পাটি তৈরি করে অনেকে নিজেদের গৃহস্থলীর কাজে ব্যবহৃত হয় বলে জানালেন কৃষাণী সালেহা বেগম।
বর্তমানে এ পাটি ধানের জমি হতে কর্তন কৃত ভেজা ধান শুকানো ও ধানের আবর্জনা পরিষ্কার করতে হয়এ পাটি তে রেখে আবার অনেক কৃষাণী ধান সিদ্ধ কাজে ব্যবহার করেন এপাটি।
তাই তিনি এ পাটি তৈরি করে নিজেদের কাজের জন্য সংগ্রহ করে রাখেন এরপর অবশিষ্ট পাটি বাজারে বিক্রি করেন ।
তিনি আরো জানান পাটির বেশির ভাগ ক্রেতা হচ্ছে কৃষক ।
তারা এ পাটিতে ধান উড়ানো ও শুকানোর কাজে ব্যবহার করে থাকেন ।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn