- - -

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহিদ সেনা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিনম্র চিত্তে স্মরণ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহিদ সেনা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিনম্র চিত্তে স্মরণ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

 

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজঃ ২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি পিলখানা হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিডিআর-এ সৈনিক বিদ্রোহের ঘটনায় নিহত সকল শহিদের প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছে। বিডিআর (পরে বিজিবি)-এর তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ নিহত ৫৭ জন বীর সেনা কর্মকর্তা এবং ১৭ জন বেসামরিক নাগরিক মিলিয়ে মোট ৭৪ শহিদের জীবন ও কর্মের প্রতি আমাদের সশ্রদ্ধ সালাম।

২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে সাধারণ নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের দেড় মাসের মাথায় দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়ে নতুন সরকারকে উৎখাত করতে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও কৌশলী নেতৃত্ব ও তত্বাবধানে বিদ্রোহীরা অস্ত্র সমর্পণ করে এবং জিম্মিদের মুক্তি দেয়’ পরিণতিতে বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

শোকাবহ নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত, মামলা ও বিচার কাজ দ্রুততম সময়ে স্বচ্ছ্ব প্রক্রিয়া মেনে শুরু হয়। ২০১৩ সালের ৫ই নভেম্বর বিচারিক আদালত বিদ্রোহীদের ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৭ই নভেম্বর হাইকোর্ট ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে; ১৮৫ জনের যাবজ্জীবন এবং ২২৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়। খবর আইবিএননিউজ ।

প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনার সরকার ঘটনার শুধু বিচারই করেনি। সকল শহিদ পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা এবং সম্মান নিশ্চিত করেছেন। প্রতিটি পরিবারকে বসবাসের জন্য ফ্ল্যাট এবং অন্যান্য সকল রকমের সুযোগ-সুবিধা দেয়। যদিও কোন মৃত্যুরই কোন প্রতিদান হয় না, কিন্তু সমব্যথী ও সহানুভূতি প্রদানে সরকারের কোন কার্পণ্য ছিল না।

দুঃখ ও পরিতাপের বিষয়, সদ্যবিদায়ী অসাংবিধানিক ড. ইউনূসের তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার ২৯৩ জন শাস্তিপ্রাপ্ত ও দণ্ডিত আসামীকে অন্যায়ভাবে ছেড়ে দেয়। শহিদ পরিবারের কোন সদস্যকে এই বিষয়ে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে নতুন তদন্ত ও বিচারের দাবি তুলে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। ইউনূসের মনোবাঞ্ছা পূরণে একটি তদন্ত প্রতিবেদনও জমা সেই কমিটি। সেই তদন্ত প্রতিবেদন অপ্রকাশিতই রয়েছে। এদিকে ইউনূস সরকার মুক্তি দিয়েছে প্রায় সকল আসামীদের। বিচার প্রক্রিয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে হ্যাকাণ্ডের দায় বর্তানো হচ্ছে আওয়ামী লীগের কাঁধে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এই বেদনার দিনে কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নয়, বরং একটি সংবেদনশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সকল শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছে এবং শহিদ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছে। আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে হলে পিলখানার ঘটনা নিয়ে ইউনূস সরকারের মববাজি ও রাজনীতির অবসান ঘটাতে হবে। বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা বা ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেমের ওপর আস্থা রাখতে হবে।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn

শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযান ফেন্সিডিল ও মোটরসাইকেল জব্দ মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান থেকে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়েছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)। এসব অভিযানে ৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও একটি চোরাই মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।​বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই দুটি অভিযান পরিচালিত হয়। ​প্রথম অভিযান (চকপাড়া বিওপি): সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ০৬:৫০ মিনিটে চকপাড়া বিওপির একটি বিশেষ টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের নামোচকপাড়া গ্রামে (সীমান্ত পিলার ১৮৩/৩-এস হতে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে) অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী পালিয়ে গেলেও মালিকবিহীন ১টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়।​দ্বিতীয় অভিযান (আজমতপুর বিওপি): একই দিন সকাল ০৮:৫০ মিনিটে আজমতপুর বিওপির আরেকটি বিশেষ টহল দল শাহবাজপুর ইউনিয়নের উপচকপাড়া গ্রামস্থ পাকা রাস্তায় (সীমান্ত পিলার ১৮২/২-এস হতে আনুমানিক ৮০০ গজ অভ্যন্তরে) অভিযান চালায়। এই অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫০ বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়। ​উভয় অভিযানে জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ও মোটরসাইকেলের আনুমানিক বাজার মূল্য ১,৪০,০০০ (এক লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকা। জব্দকৃত মালামালের বিষয়ে আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। ​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি বলেন, “বিজিবি দেশের যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং সকল প্রকার চোরাচালান রোধে বিজিবি’র এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

Su Mo Tu We Th Fr Sa