[bangla_day] - [english_date] - [bangla_date] - [hijri_date]

পদত্যাগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির যুব সংহতির সদস্য সচিব মীর রেজাউল আলম

পদত্যাগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির যুব সংহতির সদস্য সচিব মীর রেজাউল আলম

এবার পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় বিপ্লবী যুব সংহতির সদস্য সচিব ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য মীর রেজাউল আলম।
আজ শুক্রবার ২ অক্টোবর-২০২৬ তারিখ মীর রেজাউল আলম স্বহস্তে লিখিত বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বরাবর প্রেরিত পদত্যাগ পত্রে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, পদত্যাগের কারণসমূহ :
প্রথম কারণ, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব নয়, রাজনৈতিক ও আদর্শিক দ্বন্দ্ব। পার্টিতে তিনি দেখতে পেয়েছেন এখানে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোন কর্মকান্ড পরিচালিত হয় না, একক ব্যক্তির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পার্টি পরিচালিত হয়। কেন্দ্রিয় কমিটির সাথে কোন আলোচনা ছাড়াই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যা গঠনতন্ত্র বিরোধী।
দ্বিতীয়, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি বামপন্থ দল হিসেবে সারাদেশে পরিচিত হলেও ৫ই আগস্ট জুলাই গণ অভ্যুত্থানের পর এটি অনেকটা বুর্জোয়া দলে পরিণত হয়েছে।
তৃতীয়, তিনি বিপ্লবী খুব সংহতির কেন্দ্রিয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব হওয়ার পরেও অনেক সিদ্ধান্ত তাকে ছাড়াই নেওয়া হয় যা গঠনতন্ত্র বিরোধী।
চতুর্থত কেন্দ্রিয় কমিটিতে আলোচনা না করে পলিটব্যুরোর নাম ব্যবহার করেও অনেক সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যা পার্টির গঠনতন্ত্র বিরোধী।
৫ম বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টিতে কর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয় বলে তার কাছে মনে হয়। অর্থাৎ অনেক কর্মীদের মিছিল মিটিয়ের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
৬ষ্ঠ কারণ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ১৭ বছর মৃত্যুবরণ করলেও আজ অবধি নতুন সভাপতি নির্বাচন করা হয়নি। সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক পরিচালিত হয় । তাই তিনি মনে করেন, ক্ষমতার ভারসাম্য নেই। অর্থাৎ একক ব্যক্তির দ্বারাই পরিচালিত হয়।
আদর্শিক কারণে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে মীর রেজাউল আলম পদত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য, গত ২২ জুলাই-২০২৬ তারিখ কেন্দ্রীয় বিপ্লবী যুব সংহতির আহবায়ক ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য বাবর চৌধুরী পদত্যাগ করেন।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn

“বোয়ালখালীতে বালুর অবৈধ বাণিজ্যের অভিযোগ-বৈধ বালুমহাল নেই, অথচ প্রতিদিন শত শত ট্রাক। চরণদ্বীপ, খরণদ্বীপ ও কধুরখীলে ৩০টির বেশি বালু বিক্রয়কেন্দ্রের অভিযোগ। রাজস্ব, পরিবেশ ও জনদুর্ভোগের দায় কার?