- - -

ছাতকে বসতবাড়ির বাউন্ডারির সাপোর্টিং ওয়াল ভেঙে ঘর নির্মাণের অভিযোগ ভূমিখেকো প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে

img 20261016 wa0258
Print News

সুনামগঞ্জ কোর্টে পিটিশন মামলা দায়ের
ছাতকে বসতবাড়ির বাউন্ডারির সাপোর্টিং ওয়াল ভেঙে ঘর নির্মাণের অভিযোগ ভূমিখেকো প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে

ছাতকে বসতবাড়ির বাউন্ডারির সাপোর্টিং ওয়াল ভেঙে ঘর নির্মাণের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী ভূমিখেকোর বিরুদ্ধে।

উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের ফকিরটিলা গ্রামে বসতবাড়ির সীমানা ও ভূমির দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

বিরোধকে কেন্দ্র করে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীকে নিয়ে একাধিক সালিশ বৈঠকও হয়েছে। সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হলেও ভূমি দখলবাজ প্রভাবশালী হওয়ার কারণে বিরোধ নিষ্পত্তি সম্ভব হচ্ছেনা।

দখলকৃত ভূমি উদ্ধার করতে ফকিরটিলা গ্রামের শাহ আব্দুর রহিমের পুত্র এস.এম কয়েস বাদী হয়ে একই গ্রামের শুকুর উল্লাহর পুত্র পিয়ারা মিয়া, তেরা মিয়ার পুত্র আঙ্গুর মিয়া, আরজ মিয়া ও ফারুক মিয়ার বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের করেন।

পিটিশন মামলার প্রেক্ষিতে ভূমির উপর ১৪৪ ধারা জারি হওয়ায় ছাতক থানা পুলিশ মহামান্য আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক উভয় পক্ষকে ভূমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দাঙ্গা হাঙ্গামা হইতে বিরত থাকার নির্দেশ দেন এবং এই ভূমি নিয়ে উভয়পক্ষ আইন-শৃঙ্খলার কোন অবনতি ঘটালে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হইবে বলেও সতর্ক করে দেওয়া হয়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ফকিরটিলা মৌজার এস.এ ৪৯২ ও ৪৯৪ খতিয়ানের এস.এ ১৭০৬ দাগের মোট ১.২৯ একর শ্রেণী বাড়ি রকম ভূমির রেকর্ডিয় মালিক ছিলেন মরহুম হাজী ওহাব আলী শাহ।

তিনি ভূমির আনুমানিক ৬০ শতক বসত বাড়ির চারপাশে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত চুন-সুরকির পাকা সীমানা প্রাচীর বেষ্টিত বাউন্ডারি ওয়ালের প্রায় ৪ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩ ফুট প্রস্থ এবং ৫ ফিট উচ্চতার ওয়াল ও বাউন্ডারি ওয়ালের বহিরাৎশের চতূরদিকে ১০ফুট দূরত্বে সাপোর্টিং ওয়াল ছিল এবং সাপোর্টিং ওয়াল নির্মাণ করে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছিলেন।

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৮ ধারা এবং সংশোধিত বিধিমালা, ২০২৪-এর উল্লেখ করে এস.এম কয়েছ অবৈধ দখল পুনরুদ্ধার ও দখল পুনর্বহালের আবেদন করেছেন।

আবেদনে তাঁর দাবি, তিনি আইনানুগভাবে সংশ্লিষ্ট ভূমির দখলদার থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষ তাঁকে ভূমির একাংশ থেকে দখলচ্যুত করেছে এবং অবশিষ্ট অংশ জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে।

এস.এম কয়েছ জানান, ভূমি দখলবাজরা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ার কারণে তিনি সমাজে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

তার রেকর্ডকৃত ভূমি উদ্ধারের জন্য তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা পাশাপাশি রেকর্ডিয় পৃথক দুটি বাড়ীর সীমানা সরকারি সার্ভেয়ার দ্বারা পরিমাপ করে উভয়পক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa