- - -

কাঁঠালিয়ায় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ​

img 20261108 wa0000
Print News

কাঁঠালিয়ায় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে
​

​ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ৭ নভেম্বরের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যাওয়া কেন্দ্র করে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে ইলিয়াস হাওলাদার (৩২) নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা বিএনপির এক শীর্ষ নেতা ও তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে এই হামলার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

​শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলার চেঁচরী রামপুর ইউনিয়নের কৈখালী বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় ইলিয়াসকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (আমুয়া) ভর্তি করা হয়েছে।

​আহত ইলিয়াস হাওলাদার স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে উপজেলা সদরে আয়োজিত দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে সকালে কৈখালী বাজারে যান তিনি। সেখানে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহীন খানের সঙ্গে গাড়িভাড়া করা নিয়ে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়।

​ইলিয়াসের অভিযোগ, তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে সেখানে উপস্থিত উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদের নেতৃত্বে শাহীন মেম্বার, তাঁর ভাগনে যুবলীগ নেতা সুমনসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর অতর্কিতে হামলা চালান এবং কুপিয়ে জখম করেন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

​তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি সদস্য শাহীন খান। তাঁর পাল্টা দাবি, “ইলিয়াস নিজেই তাঁকে মারার উদ্দেশ্যে ধারালো চাকু নিয়ে এসেছিলেন। পরে বাজারের উপস্থিত লোকজন ও দলীয় কর্মীরা এগিয়ে এসে ইলিয়াসকে সরিয়ে দেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করেন।”

​ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ বলেন, “আমি কর্মসূচিতে যোগ দিতে কৈখালী বাজারে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে জানতে পারি যে ইলিয়াসের সঙ্গে শাহীন মেম্বারের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। আমার বিরুদ্ধে ওঠা হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”

​দলীয় কোন্দল ও সহিংসতার বিষয়ে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জালালুর রহমান আকন বলেন, “বিষয়টি আমি শুনেছি। বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠান শেষে ঘটনাটি বিস্তারিত তদন্ত করে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

​কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের রায়হান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে খোঁজখবর নিয়েছে। এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলেই তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa