- - -

পিসিসিপি’র রাঙ্গামাটি জেলা কমিটি ঘোষণা

Print News

পিসিসিপি’র রাঙ্গামাটি জেলা কমিটি ঘোষণ

 

পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি’র) রাঙ্গামাটি জেলা শাখার আওতাধীন সকল ইউনিট কমিটি নিয়ে রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের হল রুমে শনিবার (৩০ আগষ্ট) সকাল ১১ টায় জরুরি সভা-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি পৌর শাখার সভাপতি পারভেজ মোশাররফ হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য মো. আরিয়ান রিয়াজ এর সঞ্চালনায় উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিসিএনপি’র রাঙামাটি জেলা সভাপতি মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েশ, বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিসিএনপি’র রাঙামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম, মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদা আক্তার, পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা, পৌর শাখা ও কলেজ শাখা সহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

পিসিসিপি’র জরুরি সভায় পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ ও রাঙামাটি জেলা শাখার পিসিএনপি’র নেতৃবৃন্দ ও মহিলা পরিষদের নেতৃবৃন্দ সকলে মিলে যৌথ স্বাক্ষরিত সিদ্ধান্তে পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার আশিংক কমিটি আগামী এক বছরের জন্য ঘোষণা করা হয়। এতে পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা সভাপতি হিসেবে মো. তাজুল ইসলাম তাজ, সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশাররফ হোসেন এর নাম ঘোষণা করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

IMG 20250830 WA0004 300x166জরুরি সভায় পিসিসিপি কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েশ বলেন, আগামী ১৫কার্য দিবসের মধ্যে সকল উপজেলা ও পৌর শাখার কমিটির তালিকা জেলা আংশিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তদের হাতে জমা দিতে হবে। এসকল তালিকা যাচাই বাছাই করে সকল কমিটির যোগ্য দায়িত্বশীলদের সমন্বয়ে পিসিসিপি রাঙামাটি পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি গঠন করে আগামী এক মাসের মধ্যে অভিষেক প্রোগ্রামের মধ্য দিয়ে ঘোষনা দেওয়া হবে।

পিসিসিপি’র জরুরি সভায় নেতৃবৃন্দ আলোচনায় বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে প্রদান বাধা সশস্ত্র সন্ত্রাস। দেশি-বিদেশি চক্রের পক্ষ থেকে অব্যাহতভাবে সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয়, উসকানি এবং সার্বিক সহযোগিতা প্রদানও পাহাড়ে শান্তির পথে অন্যতম অন্তরায়। তাই পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে সকল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের হস্তক্ষেপ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

সরকার এবং রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে পাহাড়ের জনগোষ্ঠিগুলোর সঙ্গে বহুমাত্রিক এঙ্গেজমেন্ট বাড়িয়ে সকলের মধ্যে আস্থা তৈরি করতে হবে। বাঙালি-অবাঙালি জনগোষ্ঠির মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্যসমূহ দূর করে সকলকে একই মর্যাদা ও নিরাপত্তার নিশ্চিত করতে হবে। এসব উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারলে পাহাড়ে শান্তির স্বপ্ন বাস্তবে ধরা দেবে।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa