- - -

সাতক্ষীরা বুড়িয়ায় প্রতিমা বিসর্জনে মধ্যদিয়ে আড়ং মেলা অনুষ্ঠিত ‎

img 20261024 wa0115
Print News

‎সাতক্ষীরা বুড়িয়ায় প্রতিমা বিসর্জনে মধ্যদিয়ে আড়ং মেলা অনুষ্ঠিত
‎
‎
‎শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাতক্ষীরার আশাশুনির বুড়িয়ায় বিভিন্ন এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আড়ং মেলা  অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎
‎আনন্দ-উৎসব, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন ভক্তরা।
‎
‎ এ উপলক্ষে বড়দল,খাজরা,কাদাকাটি,চাঁদখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে ভক্তরা বুড়িয়া আড়ং মেলায় সমবেত হন। পরে আনন্দঘন পরিবেশে পার্শ্ববর্তী নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।
‎
‎বিজয়া দশমীর এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। ঢাকঢোল, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসবমুখর পরিবেশে পুরো এলাকা আনন্দমুখর হয়ে ওঠে।
‎
‎ প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।
‎
‎অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজি আলাউদ্দিন। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
‎
‎অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধেন্দু মন্ডল। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খগেন্দ্র নাথ মন্ডল। এছাড়া উপস্থিত ও বক্তব্য রাখেন আশাশুনি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব গাউসুল হোসেন রাজ,বড়দল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আজারুল ইসলাম মন্টু, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য লাবনী আক্তার, শিক্ষক আকাশ মন্ডল, আশাশুনি উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি তুষার কান্তি, ফকরাবাদ পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি দেবেন্দ্রনাথ দে দেবা, সাবেক সেনাসদস্য মোজাম্মেল হক মোজাম এবং প্রধান শিক্ষক দীপক মন্ডলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
‎অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাস্টার উত্তম মন্ডল।
‎বিজয়া দশমী শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপনী দিন। এ দিন প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে ভক্তরা দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান এবং আগামী বছর আবারও দেবীর আগমনের প্রত্যাশা করেন।
‎বুড়িয়ার এ প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান ধর্মীয় আবেগ, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন এলাকার মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।
‎

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa