
ভৈরবে সাবেক কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা আল-আমিন সৈকত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে
নিহতের স্ত্রী ও মায়ের অভিযোগের তীর এখন তাঁর চাচাতো ভাই ও স্বজনদের দিকে। পারিবারিক জমি-সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে দাবি করেছেন তাঁরা।
নিহতের স্ত্রী তানিয়া খানম জানান, ঘটনার রাতে স্বামীর সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয় এবং তিনি বাসায় ফিরে ভাত খাওয়ার কথা বলেছিলেন। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই এক ব্যক্তি এসে তাঁকে জানান যে আল-আমিন রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে আছেন। দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁকে রিকশায় তোলার সময় আল-আমিন তাঁর স্ত্রীকে জানান যে, চাচাতো ভাই জুম্মন, হাসানসহ তিন-চারজন এবং চাচা মমিন মিয়া ও আরেক চাচাতো ভাই রৌদ্র ওরফে বাবু এই হামলায় সরাসরি জড়িত। তানিয়া আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে মমিন মিয়ার সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলে আসছিল। তিনি এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
নিহতের মা মিনা বেগমও কান্নাজড়িত কণ্ঠে একই অভিযোগ করে বলেন, তাঁর ছেলেকে জুম্মন, হাসান, রৌদ্র ও তাদের বাবা মমিন মিলে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।
![]()









