
বর্ষাকালের নীরব আতঙ্ক—ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া: প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগের বিকল্প নেই
ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ
বর্ষাকাল বাংলাদেশের প্রকৃতিতে সজীবতা, শস্যের সমারোহ এবং প্রাণের উচ্ছ্বাস নিয়ে আসে। কিন্তু এই বর্ষাকালই প্রতিবছর দেশের জনস্বাস্থ্যের জন্য এক নীরব সংকটের সূচনা করে। টানা বৃষ্টিপাত, জলাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশগত অব্যবস্থাপনার কারণে এ সময় এডিস মশার বংশবিস্তার দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
ফলস্বরূপ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগ উদ্বেগজনকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
গত এক দশকে বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ও বিস্তৃতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগে যেখানে এটি মূলত রাজধানীকেন্দ্রিক সমস্যা ছিল, এখন দেশের বিভিন্ন জেলা ও গ্রামাঞ্চলেও ডেঙ্গুর সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে চিকুনগুনিয়াও বহু মানুষকে দীর্ঘদিন কর্মক্ষমতার বাইরে রাখছে। ফলে এ দুটি রোগ আর শুধু মৌসুমি স্বাস্থ্যসমস্যা নয়; বরং জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া উভয়ই ভাইরাসজনিত রোগ এবং সংক্রমিত এডিস ইজিপ্টাই ও এডিস অ্যালবোপিকটাস প্রজাতির মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের শরীরে ছড়ায়। এডিস মশা সাধারণত পরিষ্কার ও স্থির পানিতে ডিম পাড়ে এবং দিনের বেলায়, বিশেষ করে সকাল ও বিকেলে বেশি সক্রিয় থাকে। তাই অনেকের ধারণা যে শুধু রাতে মশারি ব্যবহার করলেই ডেঙ্গু থেকে নিরাপদ থাকা যায়—এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। দিনের বেলাতেও মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকা সমান গুরুত্বপূর্ণ।
এডিস মশার জীবনচক্র অত্যন্ত দ্রুত। অল্প পরিমাণ পরিষ্কার পানিতেই এরা ডিম পাড়তে পারে এবং অনুকূল পরিবেশে মাত্র সাত থেকে দশ দিনের মধ্যেই ডিম থেকে পূর্ণাঙ্গ মশায় পরিণত হয়। ফুলের টব, এসির ট্রে, ফ্রিজের নিচের ট্রে, ছাদের ড্রাম, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের কাপ, বোতল, ডাবের খোসা, ভাঙা বালতি কিংবা নির্মাণাধীন ভবনের জমে থাকা পানি—সবই এডিস মশার জন্য নিরাপদ প্রজননস্থল। তাই মশা নিধনের চেয়ে মশার জন্মস্থান ধ্বংস করাই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উপায়।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার উপসর্গের মধ্যে অনেক মিল থাকলেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। ডেঙ্গুতে সাধারণত হঠাৎ উচ্চ জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, শরীর ও পেশিতে ব্যথা, বমিভাব, ক্ষুধামন্দা, ত্বকে র্যাশ এবং দুর্বলতা দেখা যায়। অন্যদিকে চিকুনগুনিয়ার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো জ্বরের সঙ্গে হাত-পা ও বিভিন্ন জয়েন্টে তীব্র ব্যথা, যা অনেক ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহ কিংবা কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এ কারণে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারেন।
ডেঙ্গুর সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো এর জটিলতা। অনেক সময় রোগীর জ্বর কমে যাওয়ার পর পরিবার মনে করে তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বাস্তবে এ সময়ই বিপজ্জনক পরিস্থিতির সূচনা হতে পারে। শরীর থেকে তরল পদার্থ বেরিয়ে যাওয়া, রক্তক্ষরণ, রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়া বা শকের মতো জটিলতা তৈরি হতে পারে। তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া, কালো পায়খানা, অতিরিক্ত দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, প্রস্রাব কমে যাওয়া অথবা অস্বাভাবিক ঝিমুনি—এসব লক্ষণ দেখা দিলে বিলম্ব না করে হাসপাতালে যেতে হবে। সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ করলে অধিকাংশ রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন।
ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অপ্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকা। অনেকেই জ্বর হলেই নিজে নিজে বিভিন্ন ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে থাকেন। কিন্তু ডেঙ্গু রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক বা অনুরূপ কিছু ওষুধ ব্যবহার করলে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। তাই জ্বর দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা উচিত। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, তরল খাবার, নিরাপদ পানি ও চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলাই ডেঙ্গু চিকিৎসার মূল ভিত্তি।
শিশু, গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার বা হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গুর জটিলতা তুলনামূলক বেশি হতে পারে। তাই এসব ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে সামান্য জ্বরকেও গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা জরুরি।
বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন ডেঙ্গুর বিস্তারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং দীর্ঘস্থায়ী আর্দ্রতা এডিস মশার বংশবিস্তারের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করছে। ফলে আগে যেখানে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা যেত, এখন অনেক এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে সংক্রমণ অব্যাহত থাকে। তাই ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু মৌসুমি পদক্ষেপ নয়, বরং বছরব্যাপী পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো—‘উৎসে মশা নির্মূল’। সপ্তাহে অন্তত একদিন বাড়ি, অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ ভালোভাবে পরিদর্শন করতে হবে। কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না। পানির ট্যাংক ও ড্রাম ঢেকে রাখতে হবে, ফুলের টবের পানি নিয়মিত পরিবর্তন করতে হবে এবং নির্মাণাধীন ভবনে জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে। এই ছোট ছোট অভ্যাসই হাজার হাজার এডিস মশার জন্ম প্রতিরোধ করতে পারে এবং অসংখ্য মানুষকে রোগের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে পারে।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে জানতে হবে যে, এডিস মশা নোংরা পানিতে নয়, বরং পরিষ্কার ও জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই সপ্তাহে অন্তত একদিন বাড়ির ভেতর ও বাইরে এমনভাবে পরিদর্শন করতে হবে যাতে কোথাও অপ্রয়োজনীয় পানি জমে না থাকে। ছাদের ড্রেন, বারান্দার টব, এসির ট্রে, পানির ট্যাংক, ফ্রিজের ট্রে, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের বোতল, টায়ার কিংবা যেকোনো পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, মশা নিধনের চেয়ে মশার জন্মস্থান ধ্বংস করা অনেক বেশি কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান।
ব্যক্তিগত সুরক্ষার ক্ষেত্রেও কিছু অভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিনের বেলায় পূর্ণহাতা জামা-কাপড় পরা, শিশুদের ঘুমের সময় মশারি ব্যবহার, জানালা ও বায়ু চলাচলের পথে নেট লাগানো এবং প্রয়োজনে অনুমোদিত মশা প্রতিরোধক ব্যবহার সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। অনেকেই মনে করেন, ঘরে মশা কম থাকলে আর কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু একটি সংক্রমিত এডিস মশার কামড়ও একজন মানুষকে গুরুতর অসুস্থ করে তুলতে পারে। তাই প্রতিরোধে আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই।
ডেঙ্গু মোকাবিলায় স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি নাগরিক দায়িত্বও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কোনো একটি বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানে যদি পানি জমে থাকে, তবে শুধু সেই পরিবার নয়, আশপাশের পুরো এলাকাই ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। তাই প্রতিবেশীদের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা, স্থানীয় প্রশাসনকে সম্ভাব্য প্রজননস্থলের খবর জানানো এবং কমিউনিটিভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা অত্যন্ত জরুরি। ডেঙ্গু প্রতিরোধ একটি সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি, স্বাস্থ্যবিষয়ক আলোচনা এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করলে তারা নিজেরা যেমন সচেতন হবে, তেমনি পরিবার ও সমাজকেও সচেতন করতে পারবে। শিশুদের ছোটবেলা থেকেই পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা ভবিষ্যতের জন্য একটি কার্যকর বিনিয়োগ।
কর্মক্ষেত্র, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, সরকারি অফিস এবং বাণিজ্যিক ভবনগুলোতেও নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন। অনেক সময় নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত স্থান কিংবা বড় প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত অংশে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকে, যা এডিস মশার নিরাপদ প্রজননস্থলে পরিণত হয়। তাই ভবন মালিক, ঠিকাদার ও প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষেরও আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে এসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখার।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোর ভূমিকা আরও কার্যকর হওয়া প্রয়োজন। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ এবং জনসচেতনতা কার্যক্রমকে সমন্বিতভাবে পরিচালনা করতে হবে। শুধু মৌসুম শুরু হলে অভিযান চালিয়ে নয়, বরং সারা বছর পরিকল্পিতভাবে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ, প্রশিক্ষিত জনবল এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী নিশ্চিত করাও জরুরি।
গণমাধ্যম এ ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে পারে। সংবাদপত্র, টেলিভিশন, রেডিও এবং অনলাইন গণমাধ্যমের মাধ্যমে নিয়মিত স্বাস্থ্যসচেতনতামূলক প্রতিবেদন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ এবং প্রতিরোধমূলক বার্তা প্রচার মানুষের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়তা করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও যাচাই করা স্বাস্থ্যতথ্য প্রচার করতে হবে, যাতে গুজব, ভুল চিকিৎসা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য মানুষের ক্ষতির কারণ না হয়।
বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন, দ্রুত নগরায়ণ এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব বৃদ্ধির কারণে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ আরও বেড়েছে। তাই ভবিষ্যতের নগর পরিকল্পনায় উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পর্যাপ্ত সবুজায়ন এবং জনস্বাস্থ্যবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। স্বাস্থ্যখাত, পরিবেশ বিভাগ, স্থানীয় সরকার এবং নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই সমস্যা দীর্ঘমেয়াদে সমাধান করা সম্ভব নয়।
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সচেতনতা। একটি পরিবারের সচেতনতা একটি মহল্লাকে রক্ষা করতে পারে, একটি মহল্লার সচেতনতা একটি শহরকে নিরাপদ রাখতে পারে। তাই প্রত্যেকে যদি সপ্তাহে মাত্র ১০ মিনিট সময় দিয়ে নিজের বাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি অপসারণ করেন, তবে হাজার হাজার এডিস মশার জন্ম বন্ধ করা সম্ভব। এই সামান্য উদ্যোগই অসংখ্য মানুষকে অসুস্থতা, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এবং অকালমৃত্যুর ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে পারে।
বর্ষাকাল আমাদের জন্য আশীর্বাদ, আতঙ্কের প্রতীক নয়। সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা, দায়িত্বশীল নাগরিক আচরণ এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ—এই চারটি স্তম্ভের ওপরই ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধের সাফল্য নির্ভর করে।
তাই আসুন, আমরা প্রত্যেকে নিজের ঘর থেকে শুরু করি, পরিবারকে সচেতন করি, প্রতিবেশীকে উদ্বুদ্ধ করি এবং একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলি। কারণ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই কেবল স্বাস্থ্য বিভাগের একার দায়িত্ব নয়; এটি আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। সচেতনতাই পারে একটি সুস্থ, নিরাপদ ও ডেঙ্গুমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।
লেখক : কলাম লেখক ও জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষক
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান : জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি
ইমেইল :drmazed96@gmail.com
![]()









