- - -

নেত্রকোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: হেলমেট পরা মোটরসাইকেল চালকদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাল জেলা পুলিশ

img 20261028 wa0331
Print News

নেত্রকোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: হেলমেট পরা মোটরসাইকেল চালকদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাল জেলা পুলিশ

“পুলিশের হাত থেকে রেহাই পেতে নয়, নিরাপদে বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গে দেখা করার জন্য হেলমেট পড়ুন”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে নেত্রকোনায় ব্যতিক্রমী এক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে জেলা পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগ। হেলমেট পরিহিত মোটরসাইকেল চালকদের রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে সড়কে নিরাপদ যাতায়াতের আহ্বান জানানো হয়।
​আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) বেলা ১২টায় শহরের ব্যস্ততম এলাকায় এই সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন নেত্রকোণার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. তরিকুল ইসলাম।
​কার্যক্রম চলাকালে ব্যস্ত সড়কে নিয়ম মেনে চলা মোটরসাইকেল চালকদের থামিয়ে তাদের হাতে রজনীগন্ধা ফুল তুলে দেওয়া হয় এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার গুরুত্ব বোঝানো হয়।
​চালক ও পথচারীদের উদ্দেশে পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে, যার একটি বড় অংশের শিকার হন মোটরসাইকেল চালকরা। ট্রাফিক আইন অমান্য করে যানবাহন চালানো যেমন অপরাধ, তেমনি হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো মৃত্যুর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই পুলিশের ভয়ে নয়, নিজের সুরক্ষার জন্য এবং পরিবারকে নিরাপদ রাখতে হেলমেট পরে বাইক চালাতে হবে। আপনি বেঁচে থাকলে আপনার পরিবারটি নিরাপদ থাকবে।”
​তিনি আরও জানান, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো ট্রাফিক আইনে একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। চালকদের সচেতন করার পাশাপাশি এ দিন হেলমেটবিহীন কিছু চালকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে তাদের হেলমেট দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় ট্রাফিক আইন মেনে চলার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
​পুলিশের এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগে মুগ্ধ হয়েছেন চালকরা। ফুল পাওয়া এক মোটরসাইকেল চালক জানান, “সামনে পুলিশ সিগন্যাল দেওয়ায় প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তো জরিমানা গুনতে হবে। ভয়ের মধ্যে থাকলেও পুলিশ সুপার মহোদয় যখন নিজ হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন, তখন ভীষণ অবাক হয়েছি। পুলিশের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।”
​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. হাফিজুল ইসলাম, জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa