
তিন ফসলি জমিতে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ, ক্ষতির মুখে কৃষিজমি
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন ও ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে সাবেক ইউপি সদস্য সাজিদ মিয়ার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজের ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছেন, যার ফলে তিন ফসলি কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুল্লা ইউনিয়নের ঘাগড়া বাড়ি এলাকার বাসিন্দা সাজিদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। অভিযোগ রয়েছে, বানেশ্বর সড়কের পাশসহ আশপাশের বিভিন্ন তিন ফসলি জমি থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু ও মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দিনের বেলায় ড্রেজারের কার্যক্রম সীমিত থাকলেও রাতের আঁধারে বালু উত্তোলনের কাজ চলে। এতে কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সাবেক বিমানমন্ত্রীর ভাই চেয়ারম্যান মিজান মিয়ার ছত্রছায়ায় প্রায় ১৭-১৮ বছর ধরে সাজিদ মিয়া বালুর ব্যবসা করে আসছেন। বুল্লা ইউনিয়নের সরকারি মাঠ ও নদীর পাড়ের মাটিও বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া বেজুড়া গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের অভিযোগ, মাধবপুর উপজেলার অনেক শিল্প-কারখানায় এই বালু সরবরাহ করা হয়। প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও ইউপি সদস্য মিলন ও সালম মিয়ার সহযোগিতায় এই ব্যবসা চলছে বলে এলাকাবাসীর দাবি।
এলাকাবাসীর দাবি, সাজিদ মিয়া বেপরোয়া হয়ে দিন-রাত বালু উত্তোলনের ব্যবসা করে আসছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য সাজিদ মিয়ার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
![]()









