- - -

চট্টগ্রামের মাটি থেকে বিশ্বমঞ্চ পর্যন্ত: লেখালেখি, সাংবাদিকতা ও উপস্থাপনায় আমার সাহসিক অভিযাত্রা

Print News

চট্টগ্রামের মাটি থেকে বিশ্বমঞ্চ পর্যন্ত: লেখালেখি, সাংবাদিকতা ও উপস্থাপনায় আমার সাহসিক অভিযাত্রা

–মো.কামাল উদ্দিন

চট্টগ্রামের আকাশে ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছিল। বাতাসে যেন ইতিহাসের স্পর্শ লেগে ছিল, আর প্রতিটি রাস্তায় আমার জীবনের পদচিহ্ন ছড়িয়ে পড়েছিল। সাংবাদিকতা, লেখালেখি আর টেলিভিশন উপস্থাপনার দীর্ঘ পথচলার গল্প যেন এই চট্টগ্রামের বুকেই লেখা। এই শহরের প্রতিটি কোণায় আমার জীবনের কোনো না কোনো অধ্যায় লুকিয়ে আছে।
শুরুর দিনগুলো: কাগজ-কলমে আঁকা স্বপ্ন
১৯৮৮ সালের কথা। লেখালেখির প্রতি আমার গভীর টান আমাকে কাগজ-কলমের জগতে নিয়ে এলো। তখনো জানতাম না, এই টান একদিন আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠবে। প্রথমে বিভিন্ন ম্যাগাজিনে লেখা দিয়ে শুরু করি। চট্টগ্রামের রূপম চক্রবর্তী তখন আমার লেখা প্রকাশ করে আমাকে সাহস ও অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন। পরে ঢাকার ম্যাগাজিন গুলোতে নিয়মিত লেখা শুরু করি। শুরুটা ছিল ছোট্ট একটি ঘর থেকে—সম্বল ছিল কিছু বই, একটি পুরনো টেবিল, আর এক অদম্য ইচ্ছাশক্তি। সাংবাদিকতার শুরু এবং প্রথম অনুসন্ধানী প্রতিবেদন সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশের সময় আমার ভেতরটা ছিল উত্তেজনা আর চ্যালেঞ্জে ভরা। অপরাধ জগতের রহস্য উদ্ঘাটন করার জন্য আমার প্রথম অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি লিখেছিলাম। তথ্য সংগ্রহ করা কতটা কঠিন ছিল, আজও মনে পড়ে। চট্টগ্রামের বুকে ‘রূপনগর,’ ‘সংবাদচর্চা,’ এবং ঢাকার ‘দৈনিক খবর’-এ আমি লেখা শুরু করি। ১৯৯৪ সালে চট্টগ্রাম থেকে প্রথমবারের মতো একটি ফোরকালার ম্যাগাজিন প্রকাশের স্বপ্ন দেখি। মুক্তিযোদ্ধা গবেষক জামাল উদ্দিনের সঙ্গে মিলে ‘চট্টলচিত্র’ প্রকাশ করি। প্রথম সংখ্যার প্রকাশ অনুষ্ঠানটিও ছিল স্মরণীয়—মোঘল বিরিয়ানির আয়োজন যেন আমাদের স্বপ্নপূরণের সাক্ষী হয়ে ছিল। চট্টগ্রামের সাংবাদিকতার জন্য কলম সৈনিক চট্টগ্রামে সাংবাদিক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের সঙ্গে আমার দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস জড়িয়ে আছে। প্রেসক্লাবের তথাকথিত কিছু নেতার বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে আমি নিজেও বৈষম্যের শিকার হয়েছি। কিন্তু আমার বিশ্বাস, সাংবাদিকতার আসল শক্তি হলো সত্যকে প্রকাশ করা। প্রেসক্লাবের সদস্য হোক কিংবা তৃণমূলের কেউ, সাংবাদিকতার জন্য বড় মন দরকার, বড় পদ নয়। টেলিভিশন উপস্থাপনার জগতে প্রবেশ ২০১৭ সালে বাংলা টিভি থেকে আমন্ত্রণ এলো ‘চট্টগ্রাম সংলাপ’ উপস্থাপনার জন্য। প্রথম দিকে দ্বিধায় ছিলাম। ক্যামেরার সামনে কথা বলা যে কতটা কঠিন, তা প্রথম দিনেই বুঝেছিলাম। তবে চৌধুরী লোকমান এবং বাংলা টিভির সোহেল সাহেবের সহযোগিতায় ধীরে ধীরে আমি দক্ষ হয়ে উঠি। ‘চট্টগ্রাম সংলাপ’-এর পাশাপাশি ‘কিছু কথা কিছু গান’ এবং ‘সচিত্র চট্টগ্রাম’-এর মতো অনুষ্ঠানগুলো উপস্থাপনা করার সুযোগ পাই। প্রতিটি অনুষ্ঠানের জন্য আমি গভীর গবেষণা করতাম, কারণ দর্শকদের কাছে সঠিক তথ্য ও বিনোদন তুলে ধরা ছিল আমার মূল লক্ষ্য। এই প্রচেষ্টা দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল এবং বাংলা টিভি দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জন করেছিল।লেখালেখির বিশাল জগৎ এবং বই প্রকাশ লেখালেখি আমার জীবনের মেরুদণ্ড। ২০০৮ সালে আমার প্রথম বই “বাঁকা কথা” প্রকাশিত হয়। এরপর একের পর এক বই লিখেছি। আজ পর্যন্ত আমার লেখা বইয়ের সংখ্যা ৩০-এর বেশি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বইগুলো হলো—
‘সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের কথা’ আমার সাংবাদিক জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। এ বইটিতে সাংবাদিকতার প্রকৃত দিকগুলো তুলে ধরেছি এবং চট্টগ্রামের সাংবাদিকতা নিয়ে যে সংকীর্ণতা চলছে, তার বিরুদ্ধে শক্তিশালী বার্তা দিয়েছি।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি
পেন ইন্টারন্যাশনালের সদস্য হওয়ার সুবাদে বিশ্বের ২৮ টি দেশে ভ্রমণের সুযোগ পেয়েছি। নোবেলজয়ী সাতজন সাংবাদিক ও লেখকেরসহ সৌদি আরবের রাজ বিদ্রোহী রাজকন্যা সুরাইয়া’র
সাক্ষাৎকার নেওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। এটি আমার সাংবাদিকতার জীবনে বড় একটি অর্জন। আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় আমার অভিজ্ঞতার ঝুলি আরও সমৃদ্ধ করেছে। চট্টগ্রামের মাটিতে আমার প্রত্যয় চট্টগ্রাম আমার জন্মভূমি। এই মাটি আমাকে সাংবাদিকতা ও লেখালেখির শক্তি দিয়েছে। এখানকার প্রতিটি আন্দোলন, প্রতিটি সংগ্রামে আমি ছিলাম। আজ যখন সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম দেখি, তখন নিজেকে এই লড়াইয়ের অংশ মনে হয়। আমার জীবনের প্রতিটি অধ্যায় একটি গল্পের মতো। এই গল্পগুলো শুধু আমার ব্যক্তিগত জীবনের নয়, বরং বাংলাদেশের সাংবাদিকতা, লেখালেখি, এবং টেলিভিশন উপস্থাপনার অগ্রযাত্রার প্রতিচ্ছবি শিক্ষার্থীদের প্রতি বার্তা, আমার লেখালেখি, সাংবাদিকতা, এবং টেলিভিশন উপস্থাপনার অভিজ্ঞতা থেকে আমি একটি কথাই বলতে চাই—
“সত্যকে তুলে ধরার সাহসই একজন সাংবাদিকের আসল পরিচয়।” সাংবাদিকতার পেশায় আসতে হলে অবশ্যই নিরপেক্ষতা, সততা এবং গভীর জ্ঞানের চর্চা করতে হবে। মনে রাখতে হবে, কলমের শক্তি সীমাহীন। এটি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলেই সমাজের পরিবর্তন আনা সম্ভব। আমার সাংবাদিকতার জীবনে বিশ্বের বিশেষ বিশেষ মানুষের সাক্ষাৎকার নেওয়ার অভিজ্ঞতা সত্যিই চমকপ্রদ ও অনুপ্রেরণাময়। এই সাক্ষাৎকারগুলো আমার জীবনে যে অমূল্য স্মৃতি অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এই গুলো ছিলো অসাধারণ সাক্ষাৎকার এবং বিশেষ মুহূর্ত, সেগুলো থেকে আমি এখানে আমিউল্লেখিত কিছু ঘটনাকে ভিত্তি করে কয়েকটি বিশদ বিবরণ তুলে ধরলাম:২০০৪ সালে কাতারের শেরাটন হোটেলে সৌদি আরবের রাজকন্যা সুরাইয়া সাথে ৩ ঘণ্টার সাক্ষাৎকার-২০০৪ সালে কাতারের শেরাটন হোটেলে সৌদি আরবের রাজকন্যা সুরাইয়া-এর সঙ্গে তিন ঘণ্টার দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নেওয়ার একটি স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল। সৌদি রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে, রাজকন্যা সুরাইয়া ছিলেন অত্যন্ত সুশিক্ষিত, প্রজ্ঞাময়ী, এবং আন্তরিক। তিনি সৌদি আরবের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ, নারীদের অধিকার, এবং তার দেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এটি ছিল আমার জীবনের একটি অত্যন্ত মূল্যবান অভিজ্ঞতা, যা আজও মনে রয়ে গেছে।
২০১৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার মহিলা রাষ্ট্রপতি পাক গিউন-হে-২০১৩ সালে, আমি দক্ষিণ কোরিয়ার মহিলা রাষ্ট্রপতি পাক গিউন-হে-এর সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। পাক গিউন-হে কোরিয়ায় প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি হওয়ায়, তার দৃষ্টিভঙ্গি এবং নেতৃত্ব সম্পর্কে আলোচনা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার কূটনৈতিক নীতি, তার দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যত এবং নারী নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে গভীরভাবে কথা বলেন।২০১৩ সালে কোরিয়ার বিশ্ব লেখক সম্মেলনে অংশগ্রহণ-২০১৩ সালে, আমি কোরিয়ার বিশ্ব লেখক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলাম। সেখানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী দুই সাহিত্যিক এবং চারজন বিশ্বখ্যাত লেখক ও লেখিকা উপস্থিত ছিলেন। ওই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিকরা তাদের কাজ এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা আলোচনা করেন। বিশ্ব সুন্দরীও ছিলেন অনুষ্ঠানে, যা এই সম্মেলনের এক বিশেষ আকর্ষণ ছিল।
২০০১ সালে আলজেরিয়ার বিশ্ব যুব সম্মেলনে অংশগ্রহণ -২০০১ সালে, আমি আলজেরিয়ার বিশ্ব যুব সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলাম, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুব নেতৃবৃন্দ集িত হয়েছিল। সেই সম্মেলনে বিশ্ব বিখ্যাত সাংবাদিক ফ্রঁক ল্যান্স ছিলেন, যিনি তার অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য পরিচিত। তার সঙ্গে সাক্ষাৎকার নেয়ার সময় তিনি তার জীবনের অভিজ্ঞতা, সাংবাদিকতার সঠিক পদ্ধতি এবং আন্তর্জাতিক সাংবাদিকতার পরিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।-২০০৪ সালে সুইজারল্যান্ড, জেনেভা কনভেনশনে বিশেষ ১০ জনের সঙ্গে সাক্ষাৎ-২০০৪ সালে জেনেভা কনভেনশনে আমি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সাক্ষাৎ পায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, এবং বিশ্বের নামী নাগরিকরা। এটি একটি আন্তর্জাতিক কনভেনশন ছিল, যেখানে বিশ্ব মানবাধিকার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। সেখানে আমি আরও বহু ব্যক্তিত্বের সাক্ষাৎ পেয়েছিলাম, তবে আমি এই মুহূর্তে শুধুমাত্র কয়েকটি বিশেষ সাক্ষাৎকারের কথা তুলে ধরলাম।
২০১৩ সালের দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি পাক গিউন-হে সম্পর্কে আরও বিস্তারিত
ফ্রঁক ল্যান্স, বিশ্ব বিখ্যাত সাংবাদিক
ফ্রঁক ল্যান্স ছিলেন একজন প্রখ্যাত ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক, যিনি বিশ্বের নানা সংকটপূর্ণ অঞ্চলে প্রতিবেদন করেছেন। তিনি সংবাদ মাধ্যমের পাশাপাশি তার লেখালেখির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সাংবাদিকতার মূলনীতিগুলি তুলে ধরেছেন। তার সাক্ষাৎকারে, তিনি উল্লেখ করেন যে, সাংবাদিকতার আদর্শ ও নীতিগুলি যেভাবে বদলে যাচ্ছে, তা আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, “একজন সাংবাদিকের কর্তব্য হলো সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো, এবং কোন পরিস্থিতিতেই সেটা থেকে বিচ্যুত হওয়া উচিত নয়।” এখানে আমি ২০১৩ সালের দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি পাক গিউন-হে এবং ফ্রঁক ল্যান্স-এর কথা উল্লেখ করেছি, যাদের সাক্ষাৎকার এবং জীবনদর্শন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত মূল্যবান ছিল। প্রণীত গ্রন্থসমূহ –

• বাঁকা কথা
• সমকালীন কথা
• তাহাদের কথা
• টক্ টক্ কথা
• জানা অজানা কথা
• নারীকথা
• কথার কথা
• জীবন কথা
• কথার মতো কথা
• শোক কথা
• মনের কথা
• অবশেষে
• ঠাট্টা কথা
• বঙ্গবন্ধুর কথা
• সমকথা
• সর্বনাশা আগস্ট ও বঙ্গবন্ধু
• বাংলাদেশ নির্বাচন ও নির্বাচনী তথ্য-উপাত্ত
• চোর কথা
• ইতিহাসের পাতা থেকে অজানা কথা
• রোহিঙ্গাদের ইতিকথা
• নির্মম নিয়তি

• সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের কথা

• কর্ণফুলী কথা
• চট্টগ্রাম: ইতিহাস ঐতিহ্যের কথা

• আদিবাসী সাহিত্য ও সংস্কৃতি
• মেঘের বুকে জল
• বই কথা
• পর্যটন শিল্পে বাংলাদেশ

• গল্পে গল্পে জীবন কথা
• গল্প গ্রন্থ

• কথা সমগ্র – ১
“তথাকথিত নামসর্বস্ব মূর্খ সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চ্যালেঞ্জ: ১,০০,০০,০০০ টাকার পুরস্কার এবং সাহসিকতা”
তথাকথিত নামসর্বস্ব মূর্খ সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি—সাংবাদিকতা ও লেখা লেখি শিখে আসুন। আমি আপনাদেরকে একটি সাহসিক চ্যালেঞ্জে লেখালেখির প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
একদিনে, অন্তত একনাগাড়ে ৪০ মিনিটের চ্যাটেলাইট টেলিভিশনের জন্য ১০টি টকশো উপস্থাপনা করার দক্ষতা এবং সাংবাদিকতার সকল দিকেই নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ থাকবে।
হিংসা ও অহংকার—এগুলো আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অভিশাপ। আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহ কখনোই এই দুটির সঙ্গে মিশে থাকা ব্যক্তিদের পছন্দ করেন না। যারা হিংসা ও অহংকার নিয়ে চলেন, তাদের একদিন ধ্বংস হওয়া অনিবার্য। তবে, আজ আমি যা লিখছি, তা অহংকারের নয়, বরং সাহসিকতার। আল্লাহর সাহায্য নিয়ে, আমি আপনাদের চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি। যারা আমার লেখা সঠিকভাবে পড়েন না, শুধুমাত্র মনগড়া সমালোচনা করেন, তারা কি সাহস করবেন আমার সঙ্গে লেখা-লেখির প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে? আমি যদি সময় পাই, আল্লাহর রহমত নিয়ে প্রতি ১ মিনিটে যত দ্রুত সম্ভব সঠিকভাবে ২০০-৩০০ শব্দ এবং একটানা সর্বাধিক ২০,০০০ শব্দ লিখে দিতে পারব, ইনশাআল্লাহ। এই লেখা হতে পারে—প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস, নাটক, ইতিহাস, কবিতা, গান বা যেকোনো ধরনের লেখা।
আমি এই চ্যালেঞ্জে আপনাকে ১,০০,০০,০০০ টাকা পুরস্কার দেবো, যদি আপনি আমাকে পরাজিত করতে পারেন। এই প্রতিযোগিতাটি চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবসহ বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে অনুষ্ঠিত হবে, এবং নিরপেক্ষ বিচারকরা আমাদের কাজ বিচার করবেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে হলে, আপনাকে ১,০০,০০,০০০ টাকা জমা দিতে হবে। যদি আপনি পরাজিত হন, তবে সেই টাকা ফেরত পাবেন না। এটি আমার আল্লাহর উপর বিশ্বাস এবং সাহসিকতার সঙ্গে করা চ্যালেঞ্জ।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa