
কাপাসিয়ার মিয়ার বাজারে জনতার হাতে অবরুদ্ধ ও গণপিটুনির শিকার বিএনপির দুই শীর্ষ নেতা!
ক্ষমতার প্রভাব আর দলীয় পদ-পদবির আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালালে যে সাধারণ জনতা তা ছাড় দেয় না, তার জ্বলন্ত প্রমাণ মিলল কাপাসিয়ায়। উপজেলার তরগাঁও ইউনিয়নের মিয়ার বাজার এলাকায় মাঝ বাড়িতে এক নারী ঘটিত অনৈতিক ঘটনার জেরে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এ সময় স্থানীয় উত্তেজিত জনতার ক্ষোভের মুখে পড়েন তরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান সোহাগ এবং গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক হাসান মাহমুদ টিপু।
ঘটনার সূত্রপাত যেভাবে:
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নিজেদের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন এই দুই নেতা। ঘটনার দিন মিয়ার বাজারের একটি বাড়িতে এক তরুণীকে ঘিরে রহস্যজনক ও আপত্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে বিষয়টি আশপাশের লোকজনের নজরে আসে। মুহূর্তেই খবরটি এলাকায় দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে।
জনতার ক্ষোভ ও উত্তম-মধ্যম:
স্থানীয়দের মধ্যে গুঞ্জন ও সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর মুহূর্তেই ফুঁসে ওঠে সাধারণ মানুষ। নারী ঘটিত এমন লজ্জাজনক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা তাদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। একপর্যায়ে জনরোষের মাত্রা এত তীব্র আকার ধারণ করে যে, উপস্থিত ক্ষুব্ধ জনতা দুই নেতাকে অবরুদ্ধ করে হাতেনাতে উত্তম-মধ্যম দেয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাদের ক্ষমতার দম্ভ মুহূর্তে ধুলিস্যাৎ হয়ে যায় এবং জনরোষের মুখে তারা চরম হেনস্তার শিকার হন।
রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া:
দলের পদধারী দায়িত্বশীল নেত্রস্থানীয় ব্যক্তিদের এ ধরনের নৈতিক স্খলন ও লঙ্কাকাণ্ড এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সচেতন মহল ও স্থানীয়রা বলছেন, যারা দলের নাম ভাঙিয়ে এবং নিজেদের রাজনৈতিক পদ ব্যবহার করে সমাজে এমন কলঙ্কজনক ও অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েন, তাদের বিরুদ্ধে দলীয় ও প্রশাসনিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
ঘটনার পর থেকেই কাপাসিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন একটাই আলোচনা—ক্ষমতার বলয়ে থেকে কীভাবে নীতিভ্রষ্ট হলেন এই নেতারা!
![]()









