
একজন মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন
কে এম সাঈদ হাসান, দি ডেইলি ইভিনিং নিউজ পত্রিকার সাংবাদিক আই সি ইউ তে রয়েছেন।
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এগিয়ে আসুন একজন মুমূর্ষু রোগীর পাশে। আমাদের ফরিদপুরের এক প্রবীণ সাংবাদিক কে এম সাঈদ হাসান, দি ডেইলি ইভিনিং নিউজ পত্রিকা, ফরিদপুর প্রতিনিধি , তিনি লিভার সিরোসিস এবং কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে ফরিদপুর সদর হাসপাতাল দ্বিতীয় তলা পুরুষ ওয়াড B-2 বেড নাম্বার, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি রয়েছে। ওনার অবস্থা খুবই সঙ্কটাপন্ন। আমরা দুনিয়াতে বেঁচে থাকতে চাই শুধুমাত্র পরিবারের জন্য । কে এম সাঈদে হাসানের দুইটা মেয়ে থ্যালাসেমিয়া রোগী। , প্রতিমাসে দুই মেয়েরেই রক্ত চেঞ্জ করতে হয়। তাদেরকে এই অবস্থায় দেখে চোখের পানি আটকিয়ে রাখা যায়না। এই পরিবারটি এখন খুব সংকটপূর্ণর ভিতর রয়েছেন। কে এম সাইদ ভাইয়ের চিকিৎসার জন্য লাখ লাখ টাকার প্রয়োজন। তার রোগের ঔষধ গুলোর দাম অনেক ব্যয় বহুল। কে এম সাইজ ভাইয়ের বাবা সিদ্দিকুর রহমান। গত হয়েছেন অনেক বছর আগে ই। তার একটি ছেলে আছে ছোট। এই পরিবার চালানোর জন্য ইনকামের কেউ নেই। ছেলেটি এখনো পড়ালেখা করেন। সঞ্চয় যা কিছু ছিল সব তার চিকিৎসার জন্য খরচ হয়ে গিয়েছে। আপনারা যারা সামর্থ্যবান তারা দয়া করে কে এম সাঈদ ভাইয়ের চিকিৎসার জন্য আল্লাহর ওয়াস্তে দান করুন। যার যা সামর্থ্য আছে সেই ভাবেই দয়া করে দান করুন, দেশ ও দেশের বাইরের প্রবাসী ভাই ও বোনেরা । আপনাদের একটু সাহায্য আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে বাচতে পারে একটি জীবন। ফুটে উঠতে পারে একটি সংসারের হাসি।কে এম সাঈদ ভাইয়ের বিকাশ নাম্বার . ০১৭৮১২০৫৮৭০. একটু সহানুভূতি হয়। আর দয়া করে শেয়ার দিতে কোন টাকা খরচ হয় না, শুধুমাত্র একটা ক্লিক করে শেয়ার করে দিন দয়া করে।আপনার একটি শেয়ারের কারনে হয়তো যিনি দান করতে ইচ্ছুক তার সামনে পোস্টটি চলে যেতে পারে। বিপদ কখনো ডাক দল পিটিয়ে আসে না। যেকোনো সময় যেকোনো ঘরেই আসতে পারে। আল্লাহতালা সকলকে হেফাজত করুন।
![]()









