- - -

হেলথ এশিয়া কনফারেন্স ২০২৬-নিউরোচেক প্রো প্রতিষ্ঠাতা সিইও তানহা তাবাসসুমের যোগদান

হেলথ এশিয়া কনফারেন্স ২০২৬-নিউরোচেক প্রো প্রতিষ্ঠাতা সিইও তানহা তাবাসসুমের যোগদান

পাকিস্তানের করাচিতে ৩ দিনব‌্যা‌পি ২৩তম হেলথ এশিয়া কনফারেন্স ২০২৬ সম্প্রতি ১০ হ‌তে ১২ সে‌প্টেম্বর পাকিস্তানের বৃহত্তম বার্ষিক স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা শিল্প বিষয়ক সভায় বিভিন্ন দেশের চিকিৎসক ও গবেষকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক স্বাস্থ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নিউরোচেক প্রো-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী (সিইও) ব্রিটিশ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চট্টগ্রা‌মের কৃ‌তি সন্তান তানহা তাবাসসুম “ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার রূপান্তর” এই বছরের প্রতিপাদ্যের অধীনে, পাকিস্তান সেন্টার ফর ডিজিটাল হেলথ এবং পাকিস্তানের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা, প্রবিধান ও সমন্বয় মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত চতুর্থ আন্তর্জাতিক ডিজিটাল স্বাস্থ্য সম্মেলনে একজন আন্তর্জাতিক বক্তা হিসেবে যোগদান করেন।

তানহা তাবাসসুম ব‌লেন, পাকিস্তানের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী, সৈয়দ মুস্তফা কামালের সাথে সাক্ষাৎ করা এবং দেশের ডিজিটাল স্বাস্থ্য খাতের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি শোনাও আমার জন্য একটি বিশেষ সৌভাগ্যের বিষয় ছিল।

যুক্তরাজ্যের এডিএইচডি এবং অটিজম মূল্যায়নের প্রথম অ্যাপ নিউরোচেক প্রো-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও হিসেবে, আমি উপস্থিত সকলের সামনে একটি সমস্যা তুলে ধরি: রোগ নির্ণয়ের জন্য অপেক্ষার কারণ কোনো অসুবিধা নয়, বরং এমন একটি ব্যবস্থা যা আজকের চাহিদার বিশালতার জন্য কখনোই তৈরি হয়নি এবং নিউরোচেক প্রো এই শূন্যস্থানটিই পূরণ করে। এটি সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিকে একটি রেকর্ডে রাখে, যার ফলে রোগীরা স্বাধীনভাবে শুরু করতে পারেন এবং চিকিৎসকরা সরাসরি রোগ নির্ণয়ে যেতে পারেন।

একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল পাকিস্তানের সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও এবং স্বাস্থ্যসেবা নেতাদের সাথে একটি গোলটেবিল বৈঠক, যা পাকিস্তানের স্বাস্থ্য বিষয়ক সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য কর্মসূচির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরশাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আমি পাকিস্তানে স্নায়ুবিকাশজনিত রোগ নির্ণয়ের অগ্রগতি সাধনের বিষয়ে আমার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছিলাম।

এত বড় ব্যবধান কোনো একটি প্ল্যাটফর্ম একা পূরণ করতে পারে না; প্রযুক্তি সুযোগের পরিধি বাড়ায়, কিন্তু কেবল তারাই এটিকে সত্যিকার অর্থে এগিয়ে নিয়ে যায়, যারা একসাথে কাজ করতে ইচ্ছুক। পাকিস্তানের চিকিৎসক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে আমি যে আন্তরিকতা পেয়েছি—যা বিচারবুদ্ধির সাথে আপোস না করে প্রযুক্তিকে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, তার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে, প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না তার উপর নয়—তা এই অঞ্চলকে অন্যদের থেকে এগিয়ে রেখেছে।

উল্লেক্ষ‌্য, তানহা তাবাসসুম বাংলাদেশী বি‌শিষ্ট কূটনীতিক এবং যুক্তরাজ্যে, মেক্সিকো ও দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সফল সা‌বেক রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলামের পুত্রবধূ।

প‌রি‌শে‌ষে তানহা তাবাসসুম, আমন্ত্রণ জানানোর জন্য এবং করাচিতে পুরো সময়টা উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য ড. জাকিউদ্দিন আহমেদকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। এটি পাকিস্তানে আমার প্রথম সফরও ছিল, এবং করাচি আমার মনে এক গভীর ছাপ রেখে গেছে।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa