- - -

বন্যা-পরবর্তী সময়ে বান্দরবান সদর ও লামায় ১৫ হাজার ৬০০ পরিবার পেল ডব্লিউএফপির নগদ সহায়তা

Print News

বন্যা-পরবর্তী সময়ে বান্দরবান সদর ও লামায় ১৫ হাজার ৬০০ পরিবার পেল ডব্লিউএফপির নগদ সহায়তা

 

বন্যা-পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে বান্দরবান সদর ও লামা উপজেলার ১৫ হাজার ৬০০-এর বেশি পরিবারকে নগদ সহায়তা দিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। গত ১০ জুলাই (শুক্রবার) মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে ৫ হাজার টাকা করে সহায়তা প্রদান করা হয়।

রোববার ডব্লিউএফপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের জন্য এ নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ডব্লিউএফপির সহযোগী সংস্থা বলিপাড়া নারী কল্যাণ সমিতি (বিএনকেএস)-এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত এই উদ্যোগের আওতায় বান্দরবান সদর ও লামা উপজেলার প্রায় ৭৫ হাজার মানুষ উপকৃত হয়েছেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্রয়ে সহায়তা এবং দুর্যোগ-পরবর্তী সংকট মোকাবিলায় এই নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় থাকা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকেও অতিরিক্ত জরুরি নগদ সহায়তা (টপ-আপ) প্রদান করা হয়েছে।

ডব্লিউএফপির বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা বলেন, জলবায়ুজনিত দুর্যোগের ঘনত্ব ও তীব্রতা বাড়তে থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো নগদ সহায়তা পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের জীবিকা পুনরুদ্ধারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ডব্লিউএফপি জানায়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশে বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দুর্যোগ মোকাবিলা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে সংস্থাটি।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa