
সাতক্ষীরা জেলার প্রথম জাতীয় ধারাভাষ্যকার মিন্টু হওয়া সত্ত্বেও মিলন দাবি করায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার এসোসিয়েশন
সাতক্ষীরা জেলার প্রথম জাতীয় ধারাভাষ্যকার মন্জুর হাসান মিন্টু হওয়া সত্ত্বেও ইসমাইল হোসেন মিলন বিভিন্ন পত্রিকা মাধ্যমে নিজেকে প্রথম জাতীয় ধারাভাষ্যকার দাবি করায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার এসোসিয়েশন। সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আহাদুল্লাহ সানা ( আহাদ) বলেন, মিন্টু ১৯৮৫ সাল থেকে জাতীয় পর্যায়ে ধারাভাষ্য দিয়ে আসছেন এবং তিনিই জেলার প্রথম স্বীকৃত জাতীয় ধারাভাষ্যকার।ইসমাইল হোসেন মিলনের এই মিথ্যা দাবি ইতিহাস বিকৃতি এবং নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করছে। এসোসিয়েশন অবিলম্বে এই মিথ্যা প্রচারণা বন্ধের দাবি জানায়।
সম্প্রতিএক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আহাদুল্লাহ সানা( আহাদ) বলেন, দীর্ঘ চার দশক ধরে মনজুর হাসান মিন্টু জাতীয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ধারাভাষ্যকার হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। তাঁর কণ্ঠ ও বিশ্লেষণ জাতীয় পর্যায়ে বহুবার প্রশংসিত হয়েছে এবং সরকারিভাবে তিনি সাতক্ষীরার প্রথম জাতীয় ধারাভাষ্যকার হিসেবে স্বীকৃত। অথচ সম্প্রতি মিলন নামের এক ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেকে সাতক্ষীরা জেলার প্রথম জাতীয় ধারাভাষ্যকার বলে দাবি করেন। এতে স্থানীয় ধারাভাষ্যকার মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইতিহাসকে বিকৃত করে এভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা শুধু অগ্রজদের প্রতি অসম্মানই নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ভুল বার্তা। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং ইসমাইল হোসেন মিলনকে অবিলম্বে তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করেন সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার এসোসিয়েশন সব সময় বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যের পক্ষে কাজ করে আসছে এবং ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
![]()









