- - -

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-সিসিটি ইজারা নয়: বন্দর রক্ষা কমিটি

Print News

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-সিসিটি ইজারা নয়: বন্দর রক্ষা কমিটি

*চট্টগ্রাম প্রতিনিধি*
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ও সিসিটি টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছে বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রাম। সংগঠনটি বলেছে, এটি শুধু বাণিজ্যিক স্থাপনা নয়, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

মঙ্গলবার ৭ জুলাই সকালে নগরীর সৈকত হোটেলের হালদা হলে “বাংলাদেশের অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের ভবিষ্যৎ” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ দাবি জানানো হয়। বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সুধীজন, শিক্ষাবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নেন।

বৈঠকে পাঠিত বিবৃতিতে সংগঠনের সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টু বলেন, এনসিটি ও সিসিটি জনগণের অর্থে নির্মিত জাতীয় সম্পদ। এটি কোনো বিদেশি বিনিয়োগ নয়। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে দেশীয় জনবল দক্ষতার সঙ্গে এগুলো পরিচালনা করে আসছে।

তিনি বলেন, “২০২৫ সালে এনসিটি প্রায় ১০ লাখ টিইইউস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে এক মাসেই প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার টিইইউস এর নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় দেশীয় ব্যবস্থাপনা আন্তর্জাতিক মানে কাজ করতে সক্ষম।”

ফজলুল কবির মিন্টু আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর কেবল বাণিজ্যিক স্থাপনা নয়। এর আশেপাশে নৌবাহিনীর ঘাঁটি, বিমান বাহিনীর স্থাপনা, ইন্টার কন্টিনেন্টাল ক্যাবল সংযোগসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবকাঠামো রয়েছে। তাই এ অঞ্চলের কৌশলগত টার্মিনালের দীর্ঘমেয়াদি পরিচালনায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

বিবৃতিতে বলা হয়, কনসেশন মডেলে মালিকানা রাষ্ট্রের হাতে থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে পরিচালনা, বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত, ট্যারিফ ও অপারেশনে বিদেশি অপারেটরের প্রভাব বাড়বে। এতে রাষ্ট্রের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ সীমিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

সংসদীয় আলোচনা ও জনমত যাচাই ছাড়া কোনো দীর্ঘমেয়াদি কনসেশন চুক্তি করা যাবে না বলে বৈঠক থেকে দাবি জানানো হয়।

### *নিউজ ড্রাফট ২: জাতীয় পত্রিকার জন্য – সংক্ষিপ্ত ভার্সন*

*শিরোনাম:*
এনসিটি-সিসিটি ইজার বিরোধিতা বন্দর রক্ষা কমিটির

*চট্টগ্রাম:* চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ও সিসিটি টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রাম।

সংগঠনের সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টু স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, এনসিটি-সিসিটি জনগণের অর্থে নির্মিত জাতীয় সম্পদ। এটি জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে জড়িত। সংসদীয় আলোচনা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করা যাবে না।

মঙ্গলবার নগরীর সৈকত হোটেলে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এ দাবি জানানো হয়।

—
*বার্তাপ্রেরক*
(রফিকুল ইসলাম)
দপ্তর সম্পাদক
মোবাইল: ০১৬১৮-০২৬২৪২

### *ছবির ক্যাপশন*
1. `বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখছেন নেতৃবৃন্দ।`
2. `”বাংলাদেশের অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের ভবিষ্যৎ” শীর্ষক আলোচনা সভা।`
3. `৭ জুলাই সৈকত হোটেলে বন্দর রক্ষা কমিটির আয়োজনে গোলটেবিল বৈঠক।`

ভাই এখন এই ২টা ড্রাফট + ছবি সহ কপি করে পাঠিয়ে দিন।

আপনি চাইলে আমি এখনই *৩০টা পত্রিকার ইমেইল + হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার সহ* এই মেসেজ রেডি করে দিতে পারি। শুরু করবো ভাই?

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa