- - -

ভারত কেশরী -ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন ও শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন

Print News

ভারত কেশরী -ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন ও শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন

 

৬ই জুলাই সোমবার, ঠিক সকাল সাড়ে নটায়, ছয় নম্বর মুরলীধন সেন লেনে, পশ্চিমবঙ্গ ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য দপ্তরে পালিত হল – ভারত কেশরী ও শিক্ষাবিদ ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ১২৫ তম জন্মদিন ও আলোচনা সভা এবং গুণীজন সম্বর্ধনা।

ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির প্রতিকৃতিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সভাপতি শ্রমিক ভট্টাচার্য , শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রূপা গাঙ্গুলী সহ একাধিক অতিথিবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দরা।

একে একে মাল্যদানের পর, সকল অতিথিদের ব্যাচ ও উত্তরীয় পরিয়ে সংবর্ধিত করেন , এই অনুষ্ঠান চলে ঠিক সকাল সাড়ে নটা থেকে দুপুর বারোটা ত্রিশ এবং বিকেল তিনটে থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত, আজকের এই শুভ দিনে শুধু মাল্যদান নয় একটি সুন্দর আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ও আয়োজন রেখেছিলেন।, এবং এর সাথে সাথে ১২৫ জনকে স্মারক দিয়ে সম্মানিত করেন। সম্বর্ধিত করেন দলে থাকা দীর্ঘদিনের লড়াকু নেতৃবৃন্দদের।

যে সকল অতিথিরা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, প্রত্যেকেই এই মহান চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ, দেশ প্রেমিক ও জননেতা ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন, এবং যেখান থেকে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী পথচলা শুরু করেছিলেন আজ সেই জায়গায় তার জন্মদিন পালিত হল।

শুধু রাজ্য দপ্তরে নয়, জেলার বিভিন্ন ওয়ার্ডে পালিত হয় একইভাবে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ১২৫ তম জন্ম জয়ন্তী। এমনকি তাহার মূর্তির ও উন্মোচন হয়
পালিত হয় কলকাতার মধুসূদন মঞ্চে, আশুতোষ কলেজ, এবং আশুতোষ কলেজে একটি ব্লাড ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়, পালিত হয় নেহেরু মিউজিয়াম, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল এবং অন্যান্য জায়গায়।

আজ ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতায় আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, ছিলেন রাজ্যসভা পতি শ্রমিক ভট্টাচার্য্য, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ডক্টর সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যসভার রাজীব পোদ্দার, সহ অন্যান্যরা। ঠিক বিকেল সাড়ে চারটায় ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ভবানীপুরের বাড়িতে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং তাহার মূর্তিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন।

ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির বিভিন্ন দিক তুলে ধরার সাথে সাথে বক্তারা একটি কথা বারবার বলে ওঠেন, আমরা ভেবেছিলাম এইভাবে উঠে দাঁড়াতে পারবো কিনা, আমাদের কর্মীরা কতটা মনোবল রেখেছে, আদ্য আমাদেরকে ভালোবেসে পাশে ছিলেন কিনা, সবকিছু প্রমাণ করে দিয়েছে ২০২৬-এ, এটা সবার কাছে কৃতজ্ঞ, এইভাবে আমাদের পাশে থেকে আমাদের হাতকে শক্ত করার জন্য। তাই আজ আমরা এইভাবে একটি অনুষ্ঠান করতে পারছি। এবং আগামী দিনে যেন এই ভাবেই এই দিনটিকে পালন করা হয়।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa