
ত্রিপুরায় বিএসএফের গুলিতে মৃত ৩ বাংলাদেশি, আহত অন্তত ২৩
বিএসএফকে ফাঁকি দিয়ে ভারতের মাছের রেনু পাচারের চেষ্টা। এই ঘটনায় বিএসএফের গুলিতে মৃত্যু হল ৩ বাংলাদেশি যুবকের। এই ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার (৮মে) রাত ১০টায় ত্রিপুরার সিপাহীজলা জেলার পাথারিয়াদার সীমান্তের ১০১ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায়। বিএসএফের গুলিতে ঘটনাস্থলেই ১ জনের মৃত্যু হয়। আর হাসপাতালে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে বেসরকারি সূত্রে জানা গেছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৩ জন। সূত্রের খবর, শুক্রবার (৮ মে) রাতে পাথারিয়াদার সীমান্তে দিয়ে মাছের রেনু পাচার করা হচ্ছিল। বিএসএফের নজর এড়িয়ে রেনু গুলি পাচার হয়ে গেলেও ওত পেতে ছিল বিএসএফ। অভিযুক্তরা ফেরার সময় তাদের আটক করার চেষ্টা চলে। পাল্টা বিএসএফের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় পাচারকারীরা। এই পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার্থে বিএসএফ জওয়ানরা পাম্প অ্যাকশন গান থেকে গুলি চালায়। গুলিতে মৃত্যু হয় মুছালিম মিয়া (২০) নামে এক যুবকের। অভিযুক্তের বাড়ি বাংলাদেশের ধজনগর বাতান বাড়ী এলাকায়। গুরুতর আহত অবস্থায় নবীর হোসেন (৪৫) নামে অপর এক ব্যক্তিকে বিএসএফ অ্যাম্বুলেন্সে করে প্রথমে মধুপুর হাসপাতাল ও পরে আগরতলা জিবিপি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। নবীরের বাড়ি বাংলাদেশের মধুপুর মাণিক্যমোড়া এলাকায়। এবং সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা হাসপাতালে ইউসুফ আলি নামে আরও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি আশংকাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৩ জন। অন্যান্য আহতদের কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে এই ঘটনার পর শনিবার (৯ মে) ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে একটি ফ্ল্যাগ মিটিং হয়। এখানে উপস্থিত ছিলেন সিপাহীজলা �
![]()









