- - -

পৌর প্রশাসকের নজরদারি না থাকায় শায়েস্তাগঞ্জ ৪নং ওয়ার্ডে দাউদনগর মহল্লায় রাস্তা খানাখন্দ পথ চলাচলে ভোগান্তি ও ড্রেনের ময়লা পানি নিষ্কাসনে বাঁধায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি

Print News

পৌর প্রশাসকের নজরদারি না থাকায় শায়েস্তাগঞ্জ ৪নং ওয়ার্ডে দাউদনগর মহল্লায় রাস্তা খানাখন্দ পথ চলাচলে ভোগান্তি ও ড্রেনের ময়লা পানি নিষ্কাসনে বাঁধায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি

 

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পৌর প্রশাসকের নজরদারি না থাকায় দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে শহরের ঐতিহ্যবাহী দাউদনগর মহল্লায় খানাখন্দ রাস্তা দিয়ে চলাচল ও ড্রেনের নানা সমস্যা গুলো নাগরিকদের ভোগান্তি পরিণত হয়েছে । দেখার যেন কেউ নেই? পৌরশহরে ৪ নং ওয়ার্ডে দাউদ নগর মহল্লায় ঘুরে দেখা যায় , উপজেলার প্রথম শ্রেণীর পৌর শহরে রাস্তা ও ড্রেনের নানা সমস্যায় নাগরিকরা ভোগান্তি । শহরে ৪ নং ওয়ার্ড চরনুর আহম্মদ প্রকাশিত দাউদনগর মহল্লা খুব গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। অথচ এই পৌর সভা ১৯৯৮ সালে স্থাপিত হয় ৩ য় শ্রেণীর পর্যায়ে । সেই সময় পৌর শহরে প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রাথমিক ভাবে ইটের সলিং দিয়ে রাস্তা তৈরি করেন । পরে ২ য় ও ১ ম শ্রেণীর পৌর সভা হওয়ার পর ধাপে ধাপে প্রতিটি ওয়ার্ডে ইটের সলিং তুলে কংক্রিট করে এর উপর পিজ ঢালাই করা হয় এবং পর্যায় ক্রমে প্রতিটি ওয়ার্ডে পাড়া-মহল্লায় ইট দিয়ে ১০ ইঞ্চি ও ৫ ইঞ্চি ঘাতনী দিয়ে ছোট – বড় পানি নিষ্কাসনে জন্য ড্রেন নির্মাণ করে এবং অনেক জায়গায় এখন পর্যন্ত ড্রেন নির্মাণ করা হয় নি । এর মধ্যে কোনো ওয়ার্ডে ইটের সলিং তুলে উন্নত মানের রড দিয়ে আর সিসি ঢালাই আবার কোনো জায়গায় ইটের সলিং তুলে কংক্রিট করে তার উপর লোক দেখার জন্য হালকা পিজ ঢালাই করা হয় । কিছু দিন যেতে না যেতে পিজ উঠে ছোট- বড় খানাখন্দ দেখা দেয় । যার সুবিধামত বিভিন্ন ওয়ার্ডে উন্নত মানের রাস্তা ও ড্রেন সংস্কার হয়েছে । বেশির ভাগই সাবেক জনপ্রতিনিধিদের বাড়ি ও আশপাশ এলাকায় তাদের সুবিধা মত রাস্তা এবং পানি নিষ্কাসন জন্য ড্রেন করা হয় । এমনকি বাসা- বাড়ির ময়লা ফেলার ডাসবিন দেওয়া হয়েছে । ৪ নং ওয়ার্ডে অনেক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে । এর মধ্যে ৪ নং ওয়ার্ডে দাউদনগর পুরাতন বটগাছ তল হতে ছাওয়ালপীর মাজার শরীফ পর্যন্ত এবং মাছের ঘাট পূর্ব পাশ থেকে পশ্চিম লেঞ্জাপাড়া মোড় সহ অলিগলি নিম্নমানের ইটের কংক্রিট উপর হালকা পিজ ঢালাই রাস্তা গুলো খসে উঠে খানাখন্দ হয়ে ছোট বড় গর্ত অনুপযোগী হয়ে পড়ে জন ভোগান্তি দীর্ঘ বছর ধরে । এমনকি এ মহল্লায় প্রতিটি ১০ ইঞ্চি ও ৫ ইঞ্চি ইট দিয়ে তৈরি ড্রেন হলে ও বৃষ্টি আসলে বাড়ির ময়লা পানি নিষ্কাসনে বাঁধা পড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে মশা – মাছি উপদ্রব সহ রোগ জীবাণু পরিণতি হয়েছে । কিছু কিছু ড্রেন বেঙ্গে পড়ে আবার কোনো জায়গায় কিছু ড্রেন করা হলে ও বাকি অনেক অংশ করা হয় নি । পৌরসভা হওয়ার আগে যুগ যুগ ধরে মাটির রাস্তা ভালো ছিল ও মাটির খাল দিয়ে পানি নিষ্কাসন হতো। পৌর সভা হওয়ার পর ৪ নং ওয়ার্ডের নাগরিকরা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নামে পৌর রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ করে জনগণকে বুঝানো । বর্ষা মৌসুমে দাউদ নগর এ দাউদনগর মহল্লায় সড়কের রাস্তা ও ড্রেনের অবস্থা নাজেহাল হওয়ায় দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে মহল্লাবাসী সহ ঐতিহ্যবাহী শাহ সৈয়দ হাসান উল্লাহ ওরফে সৈয়দ নাছির (রহঃ) প্রকাশ ‘ ছাওয়ালপীর (রহঃ) মাজার শরিফে প্রতিদিন হাজারো উর্ধে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দর্শনার্থী জিয়ারত করতে এসে চরম ভোগান্তিতে আকার ধারণ করেছে । ঐতিহ্যবাহী দাউদনগর বটগাছ তল হতে ছাওয়ালপীর মাজার পর্যন্ত এবং মাছের ঘাট পূর্ব পাশ থেকে পশ্চিম লেঞ্জাপাড়া রাস্তা মোড় সহ অলিগলি রাস্তা এবং ড্রেন গুলো উন্নত মানের সংস্কার করার জন্য সাবেক জনপ্রতিনিধি ও বর্তমান পৌর প্রশাসক অবগত ও আবেদন করার পর ও পৌর প্রশাসকের ৪ নং ওয়ার্ডের দাউদনগর মহল্লার নাগরিকদের প্রতি নজরদারি না থাকায় মহল্লাবাসী কয়েক বছর ধরে খুব কষ্টে ভোগ করছে । এমতাবস্থায় মহল্লাবাসী ও মাজার শরিফে আগতরা রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন অটোরিকশা সিএনজি , বেটারী চালিত ইজিবাইক টমটম , অটোরিক্সা , মোটরসাইকেল , নোহা , প্রাইভেট কার , হাইয়্যেক্স , এম্বুলেন্স ,সহ অন্যান্য গাড়ি নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়েছে । মহল্লার ড্রেনের ময়লা পানি ভ্যাপসা গন্ধে বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি । এ রাস্তা ও ড্রেনের সমস্যা কারণে মহল্লার ভুক্তভোগীরা ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন , মহল্লার জনগণ ভাঙ্গা রাস্তা দিয়ে খুব কষ্টে পথ চলাচল ও ড্রেনের পানিতে মহল্লার মানুষ ডুবলে ও খোঁজ নিতে আসে না এমপি থেকে শুরু করে পৌরসভার জনপ্রতিনিধি বা নেতা-কর্মী । এ অবস্থায় মহল্লার জনগণ রাস্তা ও ড্রেন নিয়ে কষ্ট করলে ও পৌর প্রশাসক এক নজর এসে দেখেনি। অপরদিকে নির্বাচন আসলে দেখা যায় , মেয়র ও কাউন্সিলর প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় ভোটারদের কাছে উন্নয়নের কথা এবং পৌর নাগরিকদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা করে দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেলে ও বাস্তবে করেনা ভুলে যায় । তখন জনগণকে ঘৃণা চোখে দেখে । নির্বাচিত হওয়ার পর পৌর ওয়ার্ডবাসী নাগরিকদের দিনের পর দিন রাস্তা দিয়ে চলাচল ও ড্রেনে সমস্যা কষ্ট ভোগ করলে ও তাদের নজর দারী থাকে না । শুধু তাদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে । পৌরসভায় রাস্তা ও ড্রেন সংষ্কার করার জন্য প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ আসে কিন্তু উন্নত সড়ক ও ড্রেন নির্মাণ হয় অন্য দিকে । দাউদ নগর মহল্লা নেই রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণে কার্যক্রম । উক্ত প্রকল্পে টাকা প্রতিটি ওয়ার্ডে জনগণের ট্যাক্স টাকা দিয়ে রাস্তা , ড্রেন , পৌর সভা কর্মকর্তা- কর্মচারী বেতন – ভাতা চলে । এ বিষয়টি বর্তমান এমপি মহোদয় ৪নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্য বাহী দাউদনগর মহল্লার উন্নত মানের রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ করে দেওয়া ওয়ার্ডবাসীর প্রত্যাশা।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa