
২য় আপডেট :: কক্সবাজার শহরের খুরুশকুল ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের হামজার ডেইল পুলিই-শার ঘোনায় নয়ন দাশ(সন্নাসী) রহস্যজনক মৃত্যূর ঘটনায় জানা গেছে- ৩ বছর আগে আবুল হোসেন(৫০) নামে এক মুসলিম বৃদ্ধ পাহাড়ের উপর প্রায় ৬ শতক(৩ গন্ডা) খাস জায়গাটি মন্দিরের জন্য দান করেন। নয়ন দাশ সাধু(৭০) বাড়ি চট্রগ্রামের চন্দনাইশে।তিনি তার সহধর্মীনি অঞ্জনা শীল(৫০) এবং সহকারী পুরোহিত সুকুমার ব্রক্ষ্যচারী(৭০) শিব-কালী মন্দিরে বসবাস করছিলেন। তারা আশ পাশের এলাকায় ভিক্ষা করেই পূজা এবং আহার সম্পন্ন করতেন। পরে ওই শিব-কালী মন্দিরে ঘিরে পাড়ারী এলাকার প্রায় ৫৬/৬০ কক্সবাজার শহরে বাস করা হরিজন সম্প্রদায়ের লোকজন জায়গা ক্রয় করে। এছাড়া কক্সবাজার শহরের হিন্দু অধ্যূষিত ঘোনারপাড়ার অর্ধশত লোকও ওই পাহাড়ী এলাকায় জায়গা ক্রয় করে। তারা সবাই যার যার সীমানা দিয়ে জায়গা ধরে রেখেছেন। তবে এ নিয়ে সাধু বা জায়গা ক্রয় কারীদের মধ্যে কোন বিরোধ হওয়ার খবর সামনে আসেনি। ওই এলাকায় শান্তিপূর্ণ অবস্থানই বিরাজ করছিল।
অন্যদিকে একটি সূত্র জানিয়েছে- নয়ন দাশ(সন্নাসী) যে পাহাড়ে উপর মন্দিরে বসবাস করতো সেটি নিচে প্রায় শতাছিক মুসলিম পরিবারের বসবাস রয়েছে। এমনও হতে পারে তাদের মাথার উপর যে মন্দিরটি রয়েছে তারা সেটিকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে কেউ কেউ ভালোভাবে নেয়নি। তাদের মধ্যে হয়তো কোন উগ্র ধর্মীয় মনোভাবা সম্পন্ন তৌহিদী জনতা সাধূকে মন্দির থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দুরের গহীন জঙ্গলে গাছে ফাঁসীতে ঝুলিয়ে মৃত্যূ নিশ্চিত করে জালিয়ে দিয়েছে।তবে হত্যাকারীরা সাধুর লাশটি সম্পূর্ণ জালিয়ে দিতে পারেনি। এই ঘটনাটির সাথে ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর ময়মংসিংহের ভালুকায় দীপু দাস হত্যার অনেকটাই মিল পাওয়া যায়।যা এই হত্যকান্ডের মোটিভকে সেদিকেই দেখিয়ে দিচ্ছে। তবে পুরো ব্যাপারটি ময়না তদন্ত এবং পুলিশের সঠিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে বের হয়ে আসতে পারে।
![]()









