- - -

ফটিকছড়িতে সরকারিভাবে বোরো ধান-চাল সংগ্রহ শুরু

Print News

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় সরকারের অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার (১৬ মে) সকালে নাজিরহাট উপজেলা খাদ্য গুদামে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-২ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরোয়ার আলমগীর বলেন, কৃষকরা দিনরাত পরিশ্রম করে ধান উৎপাদন করেন। রোদ-বৃষ্টি ও ঝড় উপেক্ষা করে তাঁদের ঘামের ফসল দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে। কিন্তু অনেক সময় কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত ধানের ন্যায্য মূল্য পান না। তাই সরকার সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ও চাল সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমে এবং প্রকৃত কৃষকরা লাভবান হন।
তিনি আরও বলেন, “কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।” প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সরকার কৃষিবান্ধব সরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হয়েছে এবং বিনামূল্যে সার ও ধানের বীজ বিতরণ করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মো. ইব্রাহিম-এর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা এলএসডি কর্মকর্তা রোমন চন্দ্র বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সালেক, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব নাজিম উদ্দীন শাহীন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এস এম শফিউল আলম, নাছির উদ্দীন, মুনসুর আলম চৌধুরী, জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যান, শাহনেওয়াজ সেবুল, নুরু উদ্দিন, ডা. নাজিম উদ্দীন, উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব খালেদ বাবুল, নাজিরহাট পৌরসভা কৃষকদলের আহবায়ক হাসানুল কবির, ফটিকছড়ি পৌরসভা কৃষকদলের আহবায়ক বেলাল মেম্বার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল হাসনাত ফরহাদ, উপজেলা যুবদলের সেক্রেটারী মোজাহারুল ইকবাল লাভলু, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মহিন উদ্দিন মেসি, আরমান উদ্দিন কালুসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।

উপজেলা এলএসডি কর্মকর্তা রোমন চন্দ্র বিশ্বাস জানান, চলতি বোরো মৌসুমে সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা, আতপ চাল ৪৮ টাকা এবং সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকায় সংগ্রহ করা হবে। এ মৌসুমে ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৬৬ মেট্রিক টন, আতপ চাল ২৯২ মেট্রিক টন এবং সিদ্ধ চাল ৩৫৪ মেট্রিক টন।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্যমাত্রা পূরণে প্রথমিকভাবে উপজেলার ৩২২ জন কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করা হবে। প্রতিজন কৃষক সর্বোচ্চ ৩ মেট্রিক টন ধান বিক্রি করতে পারবেন। এছাড়া খাদ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্সধারী ৭টি রাইস মিল থেকে আতপ ও সিদ্ধ চাল সংগ্রহ করা হবে। গত ৩ মে থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। ইতোমধ্যে ৯ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa