
তোমার কীর্তির চেয়ে তুমি যে মহৎ
গেফরান উদ্দীন টিটু
মুহাম্মদ আলীশাহ্। ছাব্বিশের এক টগবগে তরুণ। আজ থেকে ঊনত্রিশ বছর আগে এক শারদ বিকেলে হঠাৎই হারিয়ে গেলেন না ফেরার দেশে।অক্ষয় স্বর্গলোকে।কিন্তু সময় তাকে ঠিকই বাঁচিয়ে রেখেছে।কারণ আলীশাহ্ ছিলেন এক মহৎপ্রাণ।রক্তের বন্ধন ছাড়িয়ে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে হয়ে উঠেছিলেন সব মানুষের পরমাত্মীয়। ক্ষণায়ু আলীশাহ্ আপন করে নিয়েছিলেন সবাইকেই।সমাজবিজ্ঞানের ছাত্র বলেই নয় আলীশাহ্ পির এবং আমির বংশেরও যোগ্য উত্তরাধিকার ছাড়াও নিজগুণেই হয়েছিলেন জীবন্ত কিংবদন্তি। চিরসবুজ আলীশাহ্কে ভোলেননি কেউই।জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত কাটিয়েছেন নির্মল ভালোবাসায়।পরিবার, সংগঠন লেখালেখি ছাড়াও নাট্যজগতেও তিনি ছিলেন যশস্বী সম্পাদক। সেই অমর আলীশাহ্কে নতুন করে আবিস্কারের প্রচেষ্টা ‘স্মৃতিতে অক্ষরে আলীশাহ্ ‘।স্বল্প সময়ের অপ্রস্তুতিতে ১১ অক্টেবরকে সামনে রেখে দুই মলাটে ধরার চেষ্টা। তিনি আছেন, ছিলেন এবং থাকবেন।অকালপ্রয়াত আলীশাহ্ জীবিতের চেয়েও শক্তিমান।অকৃত্রিম বন্ধুদের লেখায়,স্বজনদের স্মৃতিতে আলীশাহ্ চিরদেদীপ্যমাণ।যুগল গল্পগ্রন্থ’মুক্তিযোদ্ধার ভাই এবং ‘মহাপ্রলয়ের দিন’ ছাড়াও ইতোমধ্যেই আমরা গড়েছি ‘মুহাম্মদ আলীশাহ্ স্মৃতি গ্রন্থাগারও।আগামীতেও তাকে আরো নতুনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা থাকবে।তাঁর অজস্র অমূল্য পত্রাবলিও গ্রন্থাবদ্ধ করার সদিচ্ছা রইলো।তাঁর জীবনীগ্রন্থও আসছে শিঘ্রই। মহান আল্লাহর কাছে আজ এদিনে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুন।আমিন।
![]()









