
ঘোড়াঘাট থানার ওসি নাজমুল হকে বলেন মাদকের বিরুদ্ধে
জিরো টলারেন্স জার
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নাজমুল হক মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স জারী করেছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমানে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করতে আমাদের ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ বাহিনী বদ্ধপরিকর। পুলিশ বাহিনী ্অন্যান্য কাজের পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করছে।
রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি এবং দিনাজপুরের পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমাদেরকে সার্বক্ষণিক বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন। সে অনুযায়ী আমরা দিনরাত ২৪ ঘণ্টা মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। আগের তুলনায় ঘোড়াঘাটে মাদকের প্রভাব অনেকাংশে কমে গেছে। নতুন কিছু মাদক ব্যবসায়ী তৈরি হয়েছে। আমরা তাদের তালিকা তৈরি করেছি। তাদেরকে নিয়ে আমাদের গোয়েন্দারা কাজ করছে। আমরা ঘোড়াঘাটকে মাদকমুক্ত উপজেলা হিসেবে উপহার দিতে চাই।
তিনি বলেন,ঘোড়াঘাটে নিয়মিত মাদক বিরোধী অভিযানে ৩ বছরে কোটি টাকার মাদক জব্দ ও প্রায় ৯২টি মামলায় ১৬৪ জন আসামীর মধ্যে ১০০ জনকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা
এক সময় মাদক চোরাচালানের অন্যতম রুট হিসেবে ব্যবহৃত এই উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত মাদক বিরোধী অভিযানে অনেকটা কমেছে মাদকের প্রভাব।অনেক মাদক ব্যবসায়ী স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করলেও, তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন মাদক ব্যবসায়ী ও পাচারকারী। ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের .৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩ বছরে এই থানা এলাকা থেকে প্রায় কোটি টাকার মাদক জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
৪টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ঘোড়াঘাট উপজেলা থেকে মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীরা বার বার গ্রেফতার হলেও, জামিনে বেরিয়ে তারা আবারও মাদক ব্যবসায় ফিরছেন ।
বিট পুলিশিংসহ অন্যান্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম স্থানীয়দের সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে আইন শৃংখলা বাহিনী। গ্রামের সচেতন মানুষ মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়মিত তথ্য দিচ্ছেন বলে দাবী পুলিশের।পুলিশ, র্যাব ও ডিএনসি থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘোড়াঘাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা হয়েছে ৪৮টি। ২০২৪ সালে মামলা হয়েছে ৫২টি এ সব মামলায় এজাহারভুক্ত ১৬৪ জন আসামির মধ্যে ১০০ জনকে
![]()









