
গ্রীন চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্সের সাথে মতবিনিময়ে মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী
গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে হলে গ্রীন মানুষের প্রয়োজন
চট্টগ্রাম একটি প্রকৃতিতে ঘেরা নৈসর্গিক নান্দনিক জনপদ। হাজার বছর ধরে বিশ্ব পর্যটক ও বিদেশি বণিকদের আকৃষ্ট করেছে চট্টগ্রামের বৈচিত্র্যময় প্রকৃতি। চট্টগ্রামের এমন অপরূপ নান্দনিক রূপ, পৃথিবীর আর কোনো শহরে পাওয়া যাবে না। নদী, সমুদ্র, পাহাড়, ঝরনা-ঘেরা প্রকৃতিতে সজ্জিত অপরূপ চট্টগ্রাম। চিরচেনা চট্টগ্রামের প্রকৃতির সেই রূপ এখন আর নেই। অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে চট্টগ্রামের প্রকৃতি বিনষ্ট হয়ে এখন চট্টগ্রাম জঞ্জালের নগরী হিসেবে পরিণত হয়েছে। জলাবদ্ধতা, নদী দখল-দূষণ, পাহাড় কাটা, ফুটপাত দখল, যানজট, কালো ধোঁয়া, পুকুর-দিঘী ভরাটসহ নানা পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের ফলে চট্টগ্রামের জীববৈচিত্র্য প্রায় ধ্বংসের মুখে। আমরা যদিও গ্রীন চট্টগ্রাম গড়ার প্রত্যয়ে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করছি, কিন্তু আমরা ক’জন মানুষ গ্রীন হতে পেরেছি? তাই গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে হলে সবার আগে আমাদের গ্রীন মানুষের প্রয়োজন।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও শিল্পপতি আলহাজ্ব মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বৃহত্তর চট্টগ্রামের পরিবেশ, জলবায়ু, কৃষি, স্বাস্থ্য ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘গ্রীন চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্স’র নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্যসাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
আজ ২৫ অক্টোবর, রবিবার, সন্ধ্যায় নগরীর পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকাস্থ খান বাহাদুর ফাউন্ডেশনের স্থায়ী কার্যালয়ে গ্রীন চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্সের নেতৃবৃন্দ পরিবেশ সংগঠক ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা স ম জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে আলহাজ মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর এই সাক্ষাৎ হয়।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট লেখক মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এমরান, সদস্য এম নুরুল হুদা চৌধুরী। এছাড়াও বৃহত্তর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের কার্যকরী সভাপতি মো. মাহফুজুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যাংকার লায়ন দুলাল কান্তি বড়ুয়াসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে সাবেক চসিক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী আরো বলেন, গ্রীন চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্স দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চট্টগ্রামের পরিবেশ উন্নয়ন ও সবুজায়নে কাজ করছে। তাদের স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম চট্টগ্রামের সবুজপ্রিয় মানুষদের জন্য অনুকরণীয়। তিনি আরো বলেন, গ্রীন চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্সের মতো আরও অন্যান্য সামাজিক সংগঠনগুলো পরিবেশ উন্নয়নে ও চট্টগ্রামের সবুজায়নে এগিয়ে এলে এবং আমরা সকলেই গ্রীন মানসিকতায় সচেতন হলে চট্টগ্রামকে গ্রীন চট্টগ্রাম করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
![]()









