- - -

রাজধানীর মানিকনগরে হোপ অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশের উদ্যোগে বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত

Print News

রাজধানীর মানিকনগরে হোপ অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশের উদ্যোগে বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত

সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল মানুষের কাছে বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে রাজধানীর মানিকনগরে বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা ক্যাম্পিং আয়োজন করেছে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন হোপ অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ।

ধারাবাহিক জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শুক্রবার মানিকনগর মডেল স্কুলের সামনে এ ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকার কয়েকশ মানুষ বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা করার সুযোগ পান। আয়োজকদের উদ্যোগে রক্তের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পন্ন করার পাশাপাশি সেবাগ্রহীতাদের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ক্যাম্পিংয়ে উপস্থিত ছিলেন হোপ অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. কামরুল হাসান মেহেদি, সাধারণ সম্পাদক আরিফা ইসলাম অজান্তা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম রাকিব আহামেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এহসানুল হক রাসেল, দপ্তর সম্পাদক নাইমুল ইসলাম আরিফ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শায়লা নূর স্নেহা এবং সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক মাও. আরাফাত হোসাইন। এছাড়াও সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকেরা ক্যাম্পিংয়ে অংশ নেন।

বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা সেবা গ্রহণকারীরা বলেন, বর্তমান সময়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা অনেকের জন্য ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় কোনো ধরনের আর্থিক প্রত্যাশা ছাড়াই সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষার আয়োজন নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ। ক্যাম্পিংয়ের পুরো কার্যক্রম ছিল সুশৃঙ্খল ও সহজবোধ্য। স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল আচরণও ছিল প্রশংসনীয়। এ ধরনের উদ্যোগ শুধু স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করে না, একই সঙ্গে মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধও বৃদ্ধি করে।

হোপ অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. কামরুল হাসান মেহেদি বলেন, মানুষের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। অর্থের অভাবে যেন কোনো মানুষ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই আমরা বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছি। আজ যারা সেবা গ্রহণ করেছেন, তাঁদের মুখের হাসি ও সন্তুষ্টিই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

তিনি আরও বলেন, এ কার্যক্রম সফল করতে যেসব স্বেচ্ছাসেবক, চিকিৎসক, সহযোগী ও শুভানুধ্যায়ী আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন, তাঁদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। আমরা বিশ্বাস করি, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি সুস্থ, সচেতন ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থেকে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa