
রাত পোহালেই মহালয়া-তাই একদিকে কুমারটুলির মৃত শিল্পীরা ব্যস্ত অন্যদিকে ক্লাব কর্তৃপক্ষরা
আজ ৯ই অক্টোবর শুক্রবার, আর মাত্র কয়েক ঘন্টা বাকি, তারপরেই ভোরে বেজে উঠবে আকাশে বাতাসে মহালয়ার সেই আগমনী বার্তা, ভোর থেকে সকল পরিবার শুনতে বসবে মহালয়ার গান। তার পরেই ঘাটে ঘাটে শুরু হয়ে যাবে তর্পনের কাজ। ভরে উঠবে ঘাট গুলি।
তাই একদিকে যেমন কুমারটুলির মিৎস শিল্পীরা প্রতিমার কাজ শেষ করতে ব্যস্ত, অন্যদিকে ক্লাব কর্তৃপক্ষরা হাজির হয়েছেন কুমারটুলিতে প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার জন্য, কারণ তাহারা মহালয়ার আগেই প্যান্ডেলের মধ্যে মাকে নিয়ে বসাতে চান। তাই কুমারটুলি পাড়ায় এতটাই ভিড় যে মানুষ ভেতরে প্রবেশ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাহার মধ্যে মাঝে মাঝে বৃষ্টি হওয়ার ফলে উদ্যোক্তাদের কিছুটা প্ল্যান হতেও দেখা যায়। কারণ এখনো বেশ কিছু প্যান্ডেল সম্পূর্ণ হয়ে উঠতে পারেনি।
দুর্গা পুজো মনেই বাঙ্গালীদের একটি বড় উৎসব, দুর্গোৎসবকে সামনে রেখেই কটা দিন মুখের স্বাদ পালটাবেন বাঙালিরা,তাহার সাথে সাথে মাকে দেখতে বিভিন্ন ক্লাবে পুজোপ্রেমীরা ভিড় জমাবে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে, নতুন জামা কাপড় ভিন্ন স্বাদের খাবার খেয়ে আনন্দে মেতে উঠবে ছোট থেকে বড়ো,
তবে প্রতিমা আনতে এসে উদ্যোক্তাদের কাছে জানা গেল,এই বৎসর সবার বাজেট অনেক বেশি, কারণ প্রতিবছর এতটাই জিনিসের দাম বাড়ে, বাজেট করে আসলো কুলিয়ে উঠতে পারেনা, যাহার ফলে অনেক ক্লাবই অসুবিধায় পড়ে, কোনভাবেই নমো নমো সেরে পুজো করেন, এবারে প্রতিমার দাম বিভিন্ন শিল্পীর কাছে বিভিন্ন রকম ১৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে প্রায় এক লাখের বাইরে গিয়ে দাঁড়িয়েছে, তবে কুমারটুলি পাড়ায় একটা ঐতিহ্য যে ভিন্ন স্বাদের দুর্গা প্রতিমা দেখা যায়। এবং ক্লাব কর্তৃপক্ষরা থিমের সাথে সমঞ্জস্য রেখে কুমারটুলিতে এসে প্রতিমা অর্ডার দেন।
![]()







