
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের এক অবিস্মরণীয় নেতা। দেশের উন্নয়ন, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শ বিকাশে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে ফটিকছড়ির একটি কমিউনিটি সেন্টারে জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও গণভোজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা বিএনপি, ফটিকছড়ি পৌরসভা বিএনপি, নাজিরহাট পৌরসভা বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সরোয়ার আলমগীর বলেন, বর্তমান প্রজন্মের কাছে জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশপ্রেম ও কর্মময় জীবন তুলে ধরতে হবে। দেশের স্বার্থে তাঁর নেতৃত্ব, সততা ও আদর্শ অনুসরণ করে কাজ করে যাচ্ছেন তাঁর পুত্র তারেক রহমান।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া সবসময় দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। নানা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জিয়াউর রহমান শাহাদাতবরণ করেন। তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ অব্যাহত রয়েছে।
সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “ফটিকছড়িকে সিঙ্গাপুর নয়, একটি সমৃদ্ধ ও আধুনিক ফটিকছড়ি হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”
ফটিকছড়ি পৌরসভা বিএনপির সভাপতি মোবারক হোসেন কাঞ্চনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির আজম চৌধুরী ও মুনসুর আলম চৌধুরী যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রবীণ বিএনপি নেতা আহমেদ হোসেন তালুকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল আলম চৌধুরী, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব নাজিম উদ্দীন শাহীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজল বারেক, নাজিরহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক এজহার মিয়া, মহিন উদ্দিন আজম তালুকদার, মহিববুল্লাহ বাহার ও নাজিম উদ্দীন বাচ্চুসহ বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতারা।
বক্তারা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ভূমিকা এবং দেশের উন্নয়নে তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। আলোচনা সভা শেষে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রায় ১০ হাজার মানুষের মাঝে জিয়াফতের খাবার বিতরণ করা হয়।
![]()









