রবিবার - ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

রবিবার - ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ১৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

মোংলায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে আম – কাঁঠাল’সহ বিভিন্ন ফলের বাজার

মোংলায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে আম – কাঁঠাল’সহ বিভিন্ন ফলের বাজার

 

বাগেরহাটের মোংলায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে আম, কাঁঠাল’সহ বিভিন্ন ফলের বাজার। এবং প্রতিদিনই ক্রেতা বিক্রেতাদের আনাগোনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে মোংলা উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার। এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে আম, কাঁঠাল’সহ বিভিন্ন ফল ক্রয় করে বিক্রি করতে আসছেন হাট বাজার’সহ গ্রাম অঞ্চলে। কেউ নিজেদের উৎপাদিত আম, কাঁঠাল’সহ বিভিন্ন ফল নিয়ে বাজার ও গ্রাম অঞ্চলে আসছেন, আবার কেউ বিভিন্ন স্থান থেকে খুচরা ক্রয় করে পাইকারী বিক্রি করতে আসছেন।

মোংলা উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারের সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সারি – সারি অটোরিক্সা, ভ্যানগাড়ি ও ভটভটিতে সুন্দর করে সাজানো হয়েছে হাজার হাজার কাঁঠাল’সহ হরেক রকমের ফল। এবং ছোট-বড় মাঝারি সব সাইজের কাঁঠালে ভরে গেছে মোংলা উপজেলার প্রতিটা হাট বাজার।

ক্রেতা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিবছরের ন্যায় এ বছর আম ও কাঁঠালের দাম অন্যান্য ফলের দামের চেয়ে একটু বেশি।

এ বিষয়ে মোংলা উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়নের আন্ধারিয়া গ্রামের হানিফা শেখ নামের এক আম ক্রেতা বলেন, সব জাতের আমই বাজারে এখন আসছে। কিন্তু মানুষের চাহিদা অনুযায়ী তো কেউ কিনতে পারছে না। এই আমার কথাই ধরুন, আমি যেখানে পাঁচ কেজি আম না কিনলে আমার পরিবারের হয় না, সেখানে আমাকে দুই কেজি কিনতে হচ্ছে।মানে আমার চাহিদার অর্ধেকও পূরণ হচ্ছে না। আমের দাম যদি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজির মধ্যে রাখা যেতো তাহলে আর এই সাধ ও সাধ্যের সমন্বয়হীনতাটা হতো না।

এ বিষয়ে মোংলা উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়নের দওেরমেঠ গ্রামের অপূর্ব চৌধুরী নামের এক কাঁঠাল ও আম ক্রেতারা বলেন, প্রতি বছরের চেয়ে এবার প্রতিটা জিনিসের দাম একটু বেশি আর গত বছর যা কিনেছি ১০০টাকা তা এ বছর ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এবং সবকিছুতে যেভাবে দাম বাড়ছে তাতে আর কিছুই খাওয়া যাবে না। আমাদের দেশের কাঁঠাল ও আম আমরাই কিনে খেতে হিমশিম খাই। অদূর ভবিষ্যতে ইলিশের মতো আমও দুর্লভ হয়ে যায় কি না ভেবে দেখার সময় এসেছে। এক কেজি আমের যদি এতো দাম হয় তাহলে মানুষ কিনবে কীভাবে।

এ বিষয়ে মোংলা উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়নের সুশান্ত মন্ডল (নায়েব) নামের এক কাঁঠাল ও আম বিক্রেতা বলেন,
আমরা যে দামে আম ও কাঁঠাল কিনে আনি তার চেয়ে অল্প কিছু বেশি লাভ করেই বিক্রি করে দেই। এই আম ও কাঁঠাল নষ্ট হয় তাতে লাভের পরিমাণ কিছুটা কমে আসে। আমাদের হাতে তো দাম বাড়ানো বা কমানোর কিছু নেই।

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আম ও কাঁঠাল তো আমাদেরই দেশের ফল। এরপরেও বাজারে গতবারের তুলনায় দামটা একটু বেশি। এবং গাড়ি ভাড়া ও মধ্যস্থতাভোগী দালাল চক্রের কারণে আমাদের লাভ করা মুস্কিল হয়ে পড়েছে। তবে দাম বেশি হলেও ক্রেতার অভাব নেই।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn