মঙ্গলবার - ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

মঙ্গলবার - ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

চন্দনাইশে ধার্মিক উপাসিকা লুনা শ্রাবণী বড়ুয়ার অষ্টপরিস্কার সহ সংঘদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন

চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়িয়া দেওয়াজি পাড়া গ্রাম নিবাসী বৌদ্ধ সমাজের দিকপাল প্রয়াত নাজির কৃষ্ণ চন্দ্র চৌধুরীর বংশের কুলবধু এবং বিশিষ্ট সমাজনুরাগী, ধার্মিক উপাসক, বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ, চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাবেক সহ সভাপতি বাবু সৌরভময় চৌধুরীর সহধর্মিণী পূণ্যবান ধার্মিক উপাসিকা লুনা শ্রাবণী বড়ুয়া গত( ২৩ মে) চট্টগ্রামের একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।মৃত্যুকালে তিনি দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তান এবং জ্ঞাতী স্বজন রেখে যান। তিন সন্তান সকলেই দেশের নামকরা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এ অধ্যয়নরত আছেন। লুনা শ্রাবণী বড়ুয়া, পটিয়া নাইখাইন গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক প্রয়াত ইঞ্জিনিয়ার নিখিলেশ বড়ুয়া ও ধার্মিক উপাসিকা চম্পা দেবী বড়ুয়া’র প্রথম কন্যা।

সংঘদানে উপস্থিত ভক্তবৃন্দ

তার শশুরালয়ে পারলৌকিক সদ্গতি সুখ শান্তি কামনায় সাপ্তাহিক ক্রিয়া অষ্টপরিস্কার সহ সংঘদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে সভাপতিত্ব করেন চন্দনাইশ বৌদ্ধ ধর্মীয় শিক্ষা পরিষদ সভাপতি ও চরবরমা সুগত বিহারের অধ্যক্ষ ধর্মানন্দ মহাস্থবির, প্রধান সদ্ধর্মদেশক ছিলেন উত্তর হাসিমপুর বন বিহারে নবরূপকার অধ্যক্ষ ও দৈনিক আনন্দ বার্তা নির্বাহী সম্পাদক প্রজ্ঞানন্দ স্থবির, বিশেষ সদ্ধর্মদেশক ছিলেন চন্দনাইশ বৌদ্ধ ধর্মীয় শিক্ষা পরিষদ সাধারণ সম্পাদক ও জামিজুরী গৌতম বিহারে অধ্যক্ষ বোধিমিত্র স্থবির, চন্দনাইশ ভিক্ষু পরিষদ সাধারণ সম্পাদক ও পূর্ব সাতবাড়িয়া বেপারীপাড়া রত্নাংকুর বিহারের অধ্যক্ষ ধর্মদূত ড.সুমনপ্রিয় স্থবির, সুমনরক্ষিত স্থবির, ধুমারপাড়া সংঘরত্ন বিহারের অধ্যক্ষ তিশংকর স্থবির, আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ উন্নয়ন সংস্থা বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান ও সংগঠক জে. বি. এস আনন্দবোধি স্থবির, প্রিয়মিত্র ভিক্ষু, সুমেধানন্দ ভিক্ষু,বিনয়মিত্র ভিক্ষু,শীলপ্রিয় ভিক্ষু,আরেক্ষামিত্র ভিক্ষু প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সাতবাড়িয়া শান্তি বিহারের অধ্যক্ষ তিষ্যমিত্র ভিক্ষু।কক্সবাজার সুরক্ষা পরিষদ সাধারণ সম্পাদক শুভঙ্কর বড়ুয়া পিতা- মাতা স্বরণে স্মৃতি বৃত্তি নগদ ৫ হাজার টাকা প্রদান করেন।
সংঘদান শেষে মহান পূজনীয় ভিক্ষু সংঘ ও জ্ঞাতী স্বজন সকলে মধ্যাহ্ন ভোজন বহন করেন।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn