রবিবার - ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

রবিবার - ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ - ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ - ১৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

ফিলিপাইনে পেঁয়াজের বিনিময়ে মিলছে পণ্য!

দেশটিতে পেঁয়াজের দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় ম্যানিলার উত্তরের কুইজোন শহরে একটি শপিংমলে এ ধরনের পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। একটি পেঁয়াজ দিয়ে সেখানে সর্বোচ্চ তিনটি আইটেম কেনা যায়। টাকার বিনিময়ে প্রয়োজনীয় পণ্য কেনার বিষয়টি সবার কাছেই স্বাভাবিক। কিন্তু পেঁয়াজের বিনিময়েও যে পণ্য কেনা যায় সেটা একটু অস্বাভাবিকই। অর্থাত্ পেঁয়াজও এখন বিনিময়ের বাহক বা মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। সবার কাছে বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে হলেও ইদানীং বিষয়টি স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে ফিলিপাইনে। সেখানে পেঁয়াজ এখন বিলাসী পণ্য। কারণ দেশটিতে এর মূল্য বেড়ে আকাশচুম্বী হয়েছে। খবর খালিজ টাইমসের

ম্যানিলার একটি স্টোরে অনেক ফিলিপিনোকে দেখা যায়, পকেটে করে পেঁয়াজ নিয়ে আসতে। এই পণ্যের বিনিময়ে তারা অন্যান্য পণ্য কিনতে পারছেন। ম্যানিলার উত্তরের কুইজোন শহরে জাপান হোম সেন্টারের ভেতরে শনিবার দেখা গেছে, যেসব পণ্যের দাম ৮৮ পেসো বা তার নিচে সেগুলো একটি পেঁয়াজের বিনিময়ে পাওয়া যাচ্ছে। তাছাড়া সিরামিক ফুলদানি ও মোমবাতিদানির একটি তাকও রয়েছে, যার দুইটা পাওয়া যাচ্ছে একটি পেঁয়াজে। এমন পরিস্থিতিতে যারা পেঁয়াজ দিয়ে অন্য পণ্য কিনতে চায় তাদের জন্য বিক্রেতারা বিশেষ লাইনের ব্যবস্থা করছে। সারিতে থাকা একজন নারীকে একটি প্যান ও একটি স্টেইনলেস শাওয়ার ক্যাডি ধরে থাকতে দেখা যায়। এসময় একজন কিশোরী একটি কোলান্ডার ও একটি এয়ার ফ্রেশনারের জন্য অর্থ হিসেবে পেঁয়াজ দিচ্ছে। অন্য একজন তিনটি পেঁয়াজের বিনিময়ে তার প্রিয় চিপস, চকলেট কুকিজ ও ওয়েফার রোল পেয়েছে। মূলত ফিলিপাইনে বাজারে, রেস্তোরাঁয় কিংবা বাড়িতে কোথাও পেঁয়াজ নেই। দেশটির পরিসংখ্যান বলছে, ফিলিপাইনে গত ডিসেম্বরে পেঁয়াজ বিক্রি হয় কেজিপ্রতি ৭০০ পেসো বা ১২ দশমিক ৮০ ডলার বা ১ হাজার ৩৫৮ টাকা দরে। দেশটিতে পেঁয়াজের এই দাম মাংসের দামের চেয়েও বেশি এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দৈনিক ন্যূনতম মজুরির সমান। দেশটিতে এখনো একই রকম পরিস্থিতি।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn