রাজারহাটে হিমালয়ান গৃধিনী শকুন উদ্ধার রংপুরে পাঠানো হয়েছে
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে একটি হিমালয়ান গৃধিনী শকুন উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। রাজারহাট সদর ইউনিয়নের হরিশ্বরতালুক এলাকা থেকে গত ৫ নভেম্বর দুপুর ২টার দিকে শকুনটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা শকুনটি দেখতে পেয়ে বন বিভাগকে খবর দিলে রাজারহাট বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে শকুনটি উদ্ধার করেন। পরে তিনি শকুনটিকে কুড়িগ্রাম রেঞ্জ কার্যালয়ে নিয়ে যান।
রাজারহাট বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলাম বলেন,
“স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা হরিশ্বরতালুক এলাকা থেকে শকুনটি উদ্ধার করি। প্রাথমিকভাবে এটি হিমালয়ান গৃধিনী শকুন বলে শনাক্ত করা হয়েছে। শীত মৌসুমে হিমালয় অঞ্চলের কিছু শকুন বাংলাদেশে আসে। উদ্ধার করা শকুনটির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
পরে কুড়িগ্রাম রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সাদিকুল ইসলাম বিকেল ৫টার দিকে শকুনটিকে রংপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দপ্তরে পাঠান।
কুড়িগ্রাম রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সাদিকুল ইসলাম বলেন,
“রাজারহাট থেকে উদ্ধার করা শকুনটি কুড়িগ্রাম রেঞ্জ অফিসে আনার পর আমরা সেটির অবস্থা পর্যবেক্ষণ করি। পরবর্তী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, পরিচর্যা ও সংরক্ষণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিকেল ৫টার দিকে শকুনটিকে রংপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।”
বন বিভাগ জানিয়েছে, পরিযায়ী এই শকুন সাধারণত শীত মৌসুমে হিমালয় ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশে আসে। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসার কারণে কোনো কোনো শকুন দুর্বল বা ক্লান্ত হয়ে লোকালয়ে আশ্রয় নিতে পারে।
বন বিভাগের পক্ষ থেকে স্থানীয় জনগণকে বন্যপ্রাণী ও পরিযায়ী পাখির প্রতি সহনশীল থাকার এবং কোনো বন্যপ্রাণী অসুস্থ, আহত বা বিপদগ্রস্ত অবস্থায় দেখতে পেলে নিজে ধরার বা বিরক্ত না করে দ্রুত বন বিভাগকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।