- - -

মেয়র ডা. শাহাদাতের উদ্যোগে নন্দনকাননে পদ্মফুলের গোলচত্বর চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের সামনে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

img 20261020 wa0006
Print News

মেয়র ডা. শাহাদাতের উদ্যোগে নন্দনকাননে পদ্মফুলের গোলচত্বর

চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের সামনে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

চট্টগ্রাম নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের সামনে নির্মিত হয়েছে পদ্মফুলের নকশায় দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জিত গোলচত্বর। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ স্থাপনার মধ্য দিয়ে শতাব্দীপ্রাচীন চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের সামনে পদ্মফুল স্থাপনের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও দাবি পূরণ হয়েছে।

সাংঘিক বিহারের রূপকার অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ছিল বৌদ্ধ বিহারের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপন। একই দাবি ছিল সাধারণ বৌদ্ধ নর-নারীরও। অবশেষে চসিকের উদ্যোগে সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হওয়ায় চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের পক্ষ থেকে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

পদ্মফুলের নান্দনিক নকশা ও বর্ণিল আলোকসজ্জায় সজ্জিত গোলচত্বরটি নগরীর সৌন্দর্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বৌদ্ধ দর্শনে পদ্মফুল পবিত্রতা, প্রজ্ঞা ও আধ্যাত্মিক বিকাশের প্রতীক। ফলে বৌদ্ধ বিহারের সামনে এ স্থাপনা নির্মাণের মধ্য দিয়ে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি ধর্মীয় ঐতিহ্যের প্রতিফলনও ঘটেছে।

চট্টগ্রাম বহুদিন ধরেই ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক সহাবস্থানের জন্য পরিচিত। এ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর সৌন্দর্যবর্ধন এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য ও অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের সামনের পদ্মফুলের গোলচত্বর সেই দৃষ্টিকোণ থেকে তাৎপর্যপূর্ণ সংযোজন।

নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় চসিকের এ উদ্যোগ চট্টগ্রামকে আরও নান্দনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টার অংশ। একই সঙ্গে এটি নগরীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে জনপরিসরে তুলে ধরার একটি উদ্যোগ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa