মাটির সুরের আয়োজনে গান ও কবিতার মায়াবী সন্ধ্যা
সুর, ছন্দ আর কবিতায় মুগ্ধতা ছড়ালেন শিল্পীরা
সুরের মূর্ছনা, কবিতার আবেগ আর শিল্প-সাহিত্যের নান্দনিকতায় মুখর হয়ে উঠল রাজধানীর সেগুনবাগিচা। মাটির সুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘গান ও কবিতার মায়াবী সন্ধ্যা’। শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সংগীত ও কবিতার মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সারোয়ার মাহিন, পীযূষ ইসলাম ও হাসিনা মমতাজ। তাঁদের সুরেলা কণ্ঠে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন। পাশাপাশি গান ও কবিতার ব্যতিক্রমী উপস্থাপনায় ফাতেমা সুলতানা সুমি দর্শক-শ্রোতাদের মাঝে তৈরি করেন ভিন্নধর্মী আবহ। শিল্পীদের পরিবেশনায় সন্ধ্যাটি হয়ে ওঠে আনন্দ, আবেগ ও নান্দনিকতার এক অনন্য সম্মিলন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি, গীতিকার ও সমাজসেবক মোহাম্মদ মোমেন মিয়া। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসেরা কবি ও পরিবেশবিজ্ঞানী ড. জাহাঙ্গীর আলম রুস্তম। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি, কথাসাহিত্যিক, গীতিকার ও সাবেক অতিরিক্ত অর্থসচিব আহমেদ ফরিদ। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কবি, সাংবাদিক ও সংগঠক বেল্লাল হাওলাদার। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও অভিনেতা এ বি এম সোহেল রশিদ। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলী আজম আক্তারসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একটি সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনে শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ভূমিকা অপরিসীম। সাংস্কৃতিক চর্চা মানুষের সৃজনশীলতাকে বিকশিত করে, সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করে এবং নতুন প্রজন্মকে ইতিবাচক চিন্তা ও মননশীলতার পথে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে। তাঁরা দেশীয় শিল্প-সাহিত্যের বিকাশে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মাটির সুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের এ আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক ঊর্মী হোম রায়।