বুদ্ধের প্রেমতত্ত্ব
🖋️শিউলি বড়ুয়া
কী প্রেমে মজেছিলো মানবের
মহাবেদনার আর্তনাতে।
একে একে তাই প্রদর্শিল
কঠোর পাহারাতে।
জরাগ্রস্ত, রোগাতুর শীর্ণদেহ।
প্রাণহীন মৃত, গৃহত্যাগী সন্ন্যাস দরশন।
জীবনের মোড় ঘুরে দাঁড়াবার,
উৎসটা ছিলো একেবারেই অন্যরকম।
কেউ না পারলো রোধিতে প্রভুরে
করলো ত্যাগের সাথে সন্ধি।
কেন এতো দুঃখ, বিষাদময় ধরা
জানতে মনকে করেছে বন্দি।।
রাজা রাজবস্ত্র ত্যাজে সাধারন বেশে
এ দৃশ্য দেখে প্রকৃতি হাসে।
হাসে পূ্র্ণিমার চাঁদ।
কী অপরুপ শান্ত সিন্ধ
জোৎস্না শোভিত রাত।
বোধিতলে মূলে বসে করে পণ
ধরেছে সর্বনাশী আর মহাপ্রলয়ের তান্ডব।
ধ্যানের তেজে পুড়ে নিজেকে অক্ষুন্ন রেখে
ছিটকে পরে মারেরা সব।
এক দিন নয় দু'দিন নয়
টানা ছয় বছরের রথ।
তৃষ্ণারে ক্ষয়ে দুঃখেরে জয়ে
গড়েছেন ভগবান দিয়েছে ঠিকানা
আর্যসত্য আর অষ্টমার্গ পথ।।
সয়েছেন, ক্ষয়েছেন কর্মফলে যত
মুক্ত হয়ে মুক্তির পথ দেখিয়ে
আজকে প্রভু বুদ্ধত্ব লাভে
বুদ্ধ নামে খ্যাত।।
ভগবান যদি পাই গো পথ
বোধিবৃক্ষ তার প্রমান
আমি অধম তবুও কেন
চক্ষু না মোর ফোটে সমান।।