
ফরিদগঞ্জে আগুনে পুড়ে বসত ঘর ছাই : ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৪ নং ফরিদগঞ্জ দঃ ইউনিয়নের দক্ষিন হর্নি দুর্গাপুর গ্রামের রাঁড়ি বাড়ির তোফায়েল আহমদ রাঁড়ির বসত ঘরটি পুড়ে ছাই হয়েছে। এতে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার।
মঙ্গলবার (৫মার্চ ) দিবাগত রাত ৩ টায়
এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক ধারণা করা হয়েছে।বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
এ সময় ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসে টিম লিডার বিল্লাল হোসেন বলেন, আমরা ধারণা করেছি বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা আমরা এই মুহূর্তে বলতে পারি না।
তোফায়েল আহম্মদ রাঁড়ির স্ত্রী জাহানারা বেগম বলেন, আমি আমার স্বামী ও আমার ছেলে সহ আমরা ঘরে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ ঘরের সিলিংয়ে আগুন দেখতে পাই। আগুন দেখে ডাক চিৎকার করে আমরা ঘর থেকে বেরিয়ে যাই। আসে পাশের ঘরের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিস আসতে আসতেই আমার পুরো ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
তোফায়েলের স্ত্রী জাহানারা বেগম কান্না জনিত কন্ঠে আরোও বলেন, আমি অনেক কষ্টে জীবন যাপন করিতেছি, আমার বৃদ্ধ স্বামী, তিনটি কন্যা সন্তান ও একটি ছেলে আছে। আমার আয় রোজগার করার মত কেউ নেই, আমার এই চৌ- ছালা বসত ঘরটি ছাড়া আর কোন বসত ঘর নাই। আমি আমার স্বামী, ছেলে-মেয়েদেরকে নিয়েই এই ছোট্ট ঘরে বসবাস করে আসছিলাম। আমার এই ঘর টুকু ছাড়া আর কোথাও কোন জায়গা সম্পত্তি ওপরে নেই। আজ আমি সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছি। খোলা আকাশের নিচে বসবাস করা ছাড়া আর কোন পথ নেই। আমার স্বামী ও আমি এনজিওর থেকে টাকা ঋণ করে ঘরের অনেক কাজ করেছি। আমার ঘরে নগদ কিছু টাকা, ফ্রিজ, বাড়ির জমিনের দলিলপত্র, ঘরের আসবাবপত্রসহ পুরো ঘর পুড়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ৫ লক্ষ্য টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।
এদিকে ফরিদগঞ্জ থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনার স্থান পরিদর্শন করেছি,
কিভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তারও তথ্য আমরা নিয়েছি। কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এই মুহূর্তে বলতে পারব না।
![]()









