- - -

পাগলা মসজিদের স্বর্ণ-রুপার ওজন ও বৈদেশিক মুদ্রা গণনা শুরু

img 20261013 wa0001
Print News

পাগলা মসজিদের স্বর্ণ-রুপার ওজন ও বৈদেশিক মুদ্রা গণনা শুরু 

 

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের দানবাক্সে জমা পড়া স্বর্ণ ও রুপার ওজন নির্ধারণ এবং বৈদেশিক মুদ্রা দেশভিত্তিক আলাদা করে গণনার কাজ শুরু হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ট্রেজারি শাখায় সংরক্ষিত ৯টি কনটেইনার ও ছয়টি সিলগালা করা খাম খুলে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়।
গণনা শেষে স্বর্ণ ও রুপার বাজারমূল্য নির্ধারণ করে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। অন্যদিকে, বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা দেশভিত্তিক হিসাব করে বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন জানান, পাগলা মসজিদে আগত দর্শনার্থীরা নগদ অর্থের পাশাপাশি স্বর্ণ, রুপার গয়না এবং বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা দান করেন। নির্দিষ্ট সময় পরপর দানবাক্স খোলার পর নগদ অর্থ গণনা করা হয়। স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা আলাদা করে কনটেইনারে ভরে সিলগালা করার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ট্রেজারি শাখায় সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় এসব মূল্যবান সামগ্রী ও বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব সম্পন্ন করা হয়।
তিনি আরও জানান, সোমবার খোলা ৯টি কনটেইনার ও ছয়টি খামে সংরক্ষিত স্বর্ণ, রুপা এবং বৈদেশিক মুদ্রা পৃথকভাবে গণনা করা হবে। স্বর্ণের ক্যারেট অনুযায়ী আলাদা করে ওজন নির্ধারণ করা হবে। একই সঙ্গে রুপার ওজন পরিমাপ করা হবে। এরপর বাজারমূল্য নির্ধারণ করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এসব মূল্যবান সামগ্রী নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দানবাক্সে পাওয়া স্বর্ণ ও রুপার ওজন নির্ধারণ এবং বৈদেশিক মুদ্রা দেশভিত্তিক আলাদা করার কার্যক্রম সর্বশেষ ২০২০ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সময় নিলামে ৪১৫ ভরি ১ আনা স্বর্ণ এবং ১৮৪ ভরি রুপা বিক্রি করা হয়। এসব মূল্যবান সামগ্রী বিক্রি করে মোট ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ৯০০ টাকা পাওয়া যায়। একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রা নগদায়ন করে পাওয়া যায় ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা।
পাগলা মসজিদে দেশ-বিদেশের অসংখ্য মানুষ নিয়মিত দান করে থাকেন। নগদ অর্থের পাশাপাশি স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা দানের কারণে মসজিদটির দানবাক্স ঘিরে মানুষের আগ্রহও ব্যাপক। এসব দানের অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় হিসাব ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মসজিদ পরিচালনার কাজে ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হয়।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn
Su Mo Tu We Th Fr Sa