ডামুড্যার ধানকাটি ইউনিয়নে সরকারি খাল ভরাট করে রেখেছে কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা, ডামুড্যা প্রশাসনকে দরখাস্ত দেওয়ার পরও কোনো সাড়া মেলেনি!
ডামুড্যা উপজেলার ধানকাটি ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের চরমালগাও বিশ্বাস কান্দি মৌজার ১১৪৭ নং খালটি বালু দিয়ে ভরাট করে রেখেছে কিছু প্রভাবশালী ও অসাধু ব্যাক্তিরা। খালটি পানি প্রবাহিতা ও নিষ্কাশনের কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া বেশ অসুবিধায় পরেন এলাকাবাসি।
উক্ত খালটি এলাকার পানি প্রবাহিতা ও নিষ্কাশনের কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং কৃষি কাজ স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু খালটি ভরাট করার ফলে পানি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এবং জলাবদ্ধতা, কৃষি জমির ক্ষতি সাধন ও জনগণের ভোগান্তি হচ্ছে।
সরকারি খাল ভরাট এর ফলে পরিবেশ ও জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
এবিষয়ে, ধানকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরেজমিন ঘুরে পরিদর্শন করে বলেন, বিশ্বাস কান্দি গ্রামের সরকারি খাল ভরাট করে রেখেছে। ডামুড্যা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসার আমাকে তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেন। পরে আমি ভরাট হওয়া খালটি কেটে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। এখনও তারা ভরাট হওয়া খালটি আগের অবস্থায় আছে। তারা সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করে যাচ্ছে। আমার কথা তারা কোন কর্ণপাত করে নি।
কনেস্বর তহসিলদার শরীয়ত উল্লাহ বলেন,
চর মালগাঁও মডের হাট হতে গামি সরকারি খালের
বিশ্বাস কান্দি অংশে জনৈক ছমেদ বেপারী, শাহ আলম বেপারী, মোশাররফ বেপারী, মোক্তার বেপারী, মকবুল বেপারী, আব্দুর রব বেপারি সরকারি খালে বালু ভরাট করেছে এবং বাথরুম স্থাপন করে অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে।
এমতাবস্থায়, সরকারি খাল ভরাটসহ অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং অবৈধ উচ্ছেদের জন্য পরবর্তী কার্যক্রম নেওয়ার অনুরোধ করা হয়।
খাল ভরাট হওয়া উদ্ধার কার্যক্রম এবং দরখাস্ত দেওয়ার পরেও তাতে কোনো সাড়া পাচ্ছেন না এলাকা বাসি।
ডামুড্যা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে খাল ভরাট হওয়ার বিষয় অবহিত করা ও দরখাস্ত দেওয়া হলেও কোনো পদক্ষেপ নেন নি এখনো। এতে এলাকাবাসি ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
এলাকাবাসির দাবি, যাতে করে খালটি দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যায়।