[bangla_day] - [english_date] - [bangla_date] - [hijri_date]

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর ছেলে অরিজিৎ চক্রবর্তীর মাধ্যমিক পরীক্ষায় উজ্জ্বল সাফল্য

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর ছেলে অরিজিৎ চক্রবর্তীর মাধ্যমিক পরীক্ষায় উজ্জ্বল সাফল্য

 

মেধা, অধ্যবসায় আর নিরলস পরিশ্রমের সাফল্য হিসেবে মাধ্যমিক পরীক্ষায় গোল্ডেন A+ অর্জন করেছে জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর ছেলে অরিজিৎ চক্রবর্তী। তার এই কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে বইছে আনন্দের বন্যা।

শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই ধাপে (এসএসসি-২৬ পরীক্ষায়) অসাধারণ ফলাফল অর্জন করে অরিজিৎ প্রমাণ করেছে—সাফল্যের পেছনে থাকে স্বপ্ন, কঠোর পরিশ্রম এবং দৃঢ় মনোবল।
অরিজিৎ চক্রবর্তী লেখাপড়ায় বেশ মনযোগী। অরিজিৎ চক্রবর্তী মনযোগ সহকারে রুটিন মাফিক সময় নির্ধারণ করে প্রতিটি পাঠ্য বিষয় অধ্যয়ন করেছে। স্কুলে অধ্যয়নকালে প্রতিটি স্কুল শিক্ষকদের নিবিড় সান্নিধ্যলাভ ও অরিজিৎ চক্রবর্তীর মা সিরাজগঞ্জের বনওয়ারী লাল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা গৌরী চক্রবর্তীর অধ্যয়ন পর্যবেক্ষণ তার এই উজ্জ্বল সাফল্যে বড় অবদান রেখেছে। এই সাফল্যে গর্বিত তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজন। ঠিক একইভাবে তার এই সাফল্য ও কৃতিত্বে আনন্দিত সহপাঠী, শিক্ষক মন্ডলিসহ সকল শুভাকাঙ্ক্ষীরাও।

অরিজিৎ চক্রবর্তীর প্রাপ্ত নম্বরের প্রতিটি বিষয়ভিত্তিক গড় নম্বর হচ্ছে : ৯৫.৩৯%
অরিজিৎ চক্রবর্তীর এই উজ্জ্বল অর্জনে ” দৈনিক পালং কণ্ঠ মাল্টিমিডিয়া” পত্রিকার পক্ষ থেকে তাকে জানানো হচ্ছে আন্তরিক আশীর্বাদ-দোয়া, শুভেচ্ছা, শুভকামনা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন।
অরিজিৎ চক্রবর্তী শুধু যে পড়াশোনায় ভালো তা নয়। সে কণ্ঠশিল্পী ও ক্রীড়াবিদ। তার দাদু গোপালপুর সরকারি কলেজের সর্বপ্রথম নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলার অধ্যাপক, কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ, সাংস্কৃতিক ও নাট্যব্যক্তিত্ব সদ্যপ্রয়াত বাণীতোষ চক্রবর্তী, তার বাবা কবি,
সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, ও তার মা বনওয়ারী লাল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক গৌরী চক্রবর্তীর অনুপ্ররেণায় তার সংগীত জগতে পদার্পণ। ৮ বছর বয়সেই সে সিরাজগঞ্জের সুনামধন্য সঙ্গীত শিক্ষক ওস্তাদ আবু সুফিয়ান-এর কাছ থেকে সংগীত শিক্ষার তালিম নেয়। হারমোনিয়াম, গিটার ও ডুগি-তবলা বাজিয়ে সে অনায়াসেই যে কোনো গান গাইতে পারে। শিল্পকলা একাডেমিতে সে বেশ কয়েকবার দেশাত্মবোধক, রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল সংগীত, লালন গীতি, আধুনিক এই ৫ বিভাগেই প্রথম স্থান অর্জনকারি হিসেবে সনদপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংগীত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে অনেক পুরষ্কারপ্রাপ্ত হয়। বিভিন্ন জাতীয় দিবসগুলোর প্রতিটি অনুষ্ঠানে সে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে সুপরিচিত ও জনপ্রিয়।
আন্ত:শ্রেণি স্কুল প্রতিযোগিতায় ফুটবল ও ক্রিকেট দলেরও সে ছিলো নিয়মিত খেলোয়াড়।
তার মেধা, অধ্যবসায় ও প্রতিভা ভবিষ্যতে আরও বিকশিত হোক, উচ্চশিক্ষার প্রতিটি ধাপে তার এই অসাধারণ কৃতিত্বের ধারাবাহিকতায় সাফল্যের নতুন দ্বার উন্মোচিত হোক—এটাই প্রত্যাশা।

অরিজিৎ চক্রবর্তীর সাফল্যের পথ হোক আরও দীপ্তিময়, দ্যুতিময় ও স্বপ্নিল হোক।তার লালিত স্বপ্নগুলো হোক আরও বড়। দেশের একজন সুনাগরিক হিসেবে সে যেন ভবিষ্যতে পরিবার, সমাজ ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে—এই কামনা আমাদের সকলের।

Loading

Facebook
Twitter
LinkedIn

“বোয়ালখালীতে বালুর অবৈধ বাণিজ্যের অভিযোগ-বৈধ বালুমহাল নেই, অথচ প্রতিদিন শত শত ট্রাক। চরণদ্বীপ, খরণদ্বীপ ও কধুরখীলে ৩০টির বেশি বালু বিক্রয়কেন্দ্রের অভিযোগ। রাজস্ব, পরিবেশ ও জনদুর্ভোগের দায় কার?