ঝাড়খন্ডে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত
প্রাণ বাঁচানোর সফরে নেমে এল ভয়াবহ মৃত্যু। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারী ) রাঁচি থেকে দিল্লিগামী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত। বিমানে থাকা সকল যাত্রীরই মৃত্যু হয়েছে এই দুর্ঘটনায়। তবে কী কারণে এই দুর্ঘটনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, সঞ্জয় কুমার নামে এক ধাবা মালিকের প্রাণ বাঁচাতে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি। চাতরার পুলিশ সুপার সুমিত আগরওয়াল জানিয়েছেন, দিন দশেক আগে ধাবায় অগ্নিকান্ডের জেরে গুরুতর আহত হয়েছিলেন ধাবা মালিক সঞ্জয় কুমার। দুর্ঘটনার জেরে তাঁর শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে যায়। এতদিন রাঁচির একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। চিকিৎসকরা যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও সঞ্জয়ের শারীরিক অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। গুরুতর এই পরিস্থিতিতে সঞ্জয়ের উন্নত চিকিৎসার লক্ষ্যে তাঁকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পরিবার। সেই মতোই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারী ) সন্ধ্যায় সেই সফরই মৃত্যুর সফরে পরিণত হয়। রাঁচি থেকে দিল্লি যাচ্ছিল বিচক্র্যাফট কিং এয়ার বিই ৯ এল মডেলের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারী ) সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিট নাগাদ রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশে উড়ান দেন। রাত ১০ টায় দিল্লিতে অবতরণের কথা ছিল সেটির। কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সূত্রে জানা গেছে, ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিট নাগাদ কলকাতা এটিএসের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্ঘটনার ঠিক আগে ১৪ হাজার ফুট উচ্চতায় যাওয়ার জন্য এটিএসের কাছে অনুমতি চায়। যদি ও এরপরেই রাডার থেকে হারিয়ে যায় বিমানটি। প্রশাসনের তরফে জানা গে�