
জনগণের অধিকার আদায়ে ও ভণ্ড রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা জিহাদের
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুরের ১০নং তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক নতুন ধারার সচেতনতা তৈরি হয়েছে। এলাকার ভাঙা রাস্তাঘাট সংস্কার এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা উদাসীনতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন স্থানীয় তরুণ ব্যক্তিত্ব মোঃ আবদুর রহমান জিহাদ।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্থানীয় এক যুবদল নেতার একটি বিতর্কিত বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে জিহাদ একটি সাহসী ও যুক্তিপূর্ণ অবস্থান নেন, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। উক্ত বক্তব্যে দাবি করা হয়েছিল যে, দল কোনো অপরাধ করলেও তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি করা যাবে না। এর তীব্র বিরোধিতা করে মোঃ আবদুর রহমান জিহাদ বলেন, অপরাধীদের আড়াল করার এই অপচেষ্টা অন্যায়ের শামিল এবং তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কথা বলা সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকার।
নির্বাচনের ঠিক আগে সুবিধাবাদী নেতাদের লোকদেখানো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সস্তা জনদরদী নাটকের কড়া সমালোচনা করে তিনি তার ফেসবুক হ্যান্ডেলে লেখেন, “ভোটের মুখে ভাঙা রাস্তায় দুই গাড়ি খোয়া ফেলা আর ভোটারদের পা-চাটা নাটক দেখানো ভণ্ডদের চিনে রাখুন! বিগত দিনগুলোতে জনগণের হক মেরে যারা আখের গুছিয়েছে, ভোটের মুখে সেইসব ভোট-ভিখারি চোরদের এবার বর্জন করুন!” তেওয়ারীগঞ্জের সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি এই ধরণের রাজনৈতিক প্রতারণা বর্জন করে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বকে বেছে নেওয়ার আহ্বান জানান।
এই সাহসী প্রচারণার পর নানা মহল থেকে নানা প্রতিক্রিয়া আসলেও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন এই তরুণ। এক বিশেষ বার্তায় তিনি কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করে বলেন, “কে আমাকে ভালো ভাবলো আর কে খারাপ, তাতে আমার কিচ্ছু যায় আসে না—আমি সব সময় আমার ১০নং তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের মানুষের পাশে আছি এবং থাকবো। এলাকার শোষিত মানুষ আর অবহেলিত যুবসমাজের অধিকার আদায়ের এই লড়াই আমি শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত কঠোরভাবে চালিয়ে যাবো!”
এলাকার সাধারণ মানুষ ও তরুণ সমাজ মোঃ আবদুর রহমান জিহাদের এই সময়োপযোগী ও আপসহীন বক্তব্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নে চাটুকারিতা ও লুটপাটের কালচার বন্ধে তার এই লড়াইয়ে একাত্মতা প্রকাশ করছেন।
![]()









