গোবিন্দগঞ্জে টিএমএসএস এনজিওর প্রতারণার শিকার ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে টিএমএসএস এর প্রতারণার শিকার হয়ে ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা পথে বসার উপক্রম
হয়েছে।
জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নের কাটাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ রানা
পারভেজের স্ত্রী মোছাঃ মঞ্জিলা আক্তার লেখাপড়া শেষ করে চাকুরী না পেয়ে স্বল্প পূঁজি নিয়ে বাড়িতেই
পোশাক তৈরি করে বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করে আসছিল। স্বল্প পূজির কারণে সে ব্যবসার প্রসার
বাড়াতে না পেরে এনজিও প্রতিষ্ঠান টিএমএসএস ঘোড়াঘাট শাখা থেকে ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহণ করে
নিয়মিত কিস্তির টাকা পরিশোধ করে আসছিল।
এমতাবস্তায় ওই এনজিওর মাঠ কর্মী মঞ্জিলাকে পরামর্শ দেয় কিস্তি দেয়ার নির্ধারিত সময়ের আগেই
টাকা পরিশোধ করে দিতে পারলে দ্বিগুন লোন দেয়ার লোভ দেখায়। মঞ্জিলা ব্যবসার প্রসারের কথা ভেবে ধার-
দেনা করে কিস্তির টাকা নির্ধারিত সময়ের আগেই পরিশোধ করে দেয়। টাকা পরিশোধ করে দেয়ার পর
থেকে ওই মাঠ কর্মী নতুন করে আর ঋণ প্রদান না করে টালবাহানা শুরু করে।
এদিকে, ঋণ না পেয়ে মঞ্জিলার ব্যবসা বন্ধ হওয়াসহ স্থানীয় ভাবে সুদের উপর নেয়া টাকা চক্রবৃদ্ধি হারে
টাকা বাড়তে থাকায় সে এখন চোখে সর্ষের ফুল দেখছে। মঞ্জিলা এ ব্যাপারে ওই প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন
কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। নতুন করে ঋণ না দেয়া হলে ব্যবসা বন্ধ সহ মঞ্জিলা পথে বসবে বলে
আক্ষেপের সাথে এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে টিএমএসএস এর মাঠকর্মি মো. মোকছেদ বলেন, ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে আমরা উর্দ্ধতন
কর্মকর্তার নিকট সুপারিশ করে থাকি। আপনারা বরং অফিসে কথা বলুন।
এ ব্যাপারে টিএমএসএস ঘোড়াঘাট শাখা ব্যাবস্থাপক তমাল মাহমুদ বলেন, গ্রহীতাদের কাছ থেকে
ফাঁকা চেকের পাতা ও ৩০০ টাকার ফাঁকা নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ঋণ প্রদান করা হয়ে
থাকে। মঞ্জিলা আক্তারের ঋণের পরিমাণ বেশি হওয়া এবং কিস্তি প্রদানের সক্ষতা না থাকায় তার আবেদন
বাতিলসহ ফাঁকা চেকের পাতা ও ৩০০ টাকার ফাঁকা নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ফেরত দেওয়া হয়েছে।