কক্সবাজার শহরে আবির হোসেনের বিলাসবহুল জীবন নিয়ে প্রশ্ন
কক্সবাজার শহরের নতুন বাহারছড়ার আবির হোসেন সানকে ঘিরে নানা আলোচনা চলছে। তার বিলাসবহুল জীবনযাপন বহু আগে থেকে শহরের অনেকের নজর কেড়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, তার পারিবারিক অবস্থা যথেষ্ট সচ্ছল, বাবার রয়েছে কোটি টাকার সম্পদ। তবে তার টাকা এতো টাকা রয়েছে সে কাউকে বুজতে দেই না সহজে সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা দেখলে বোঝার কোনভাবে উপায় নেই তার যে আসলে এতো কিছু রয়েছে গোপনে
অভিযোগ রয়েছে, সেই আর্থিক অবস্থার প্রভাবেই আবির দাপটের সঙ্গে চলাফেরা করেন। কখনো কক্সবাজার শহরে, আবার কখনো ঢাকা কিংবা চট্টগ্রামে তাকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য রয়েছে একটি প্রাইভেট কার ও দুটি মোটরবাইক। পাশাপাশি শহরের নামি-দামি বার ও রেস্টুরেন্টে তরুণীদের নিয়ে আড্ডা ও আয়োজনেও তাকে প্রায়শই দেখা যায়।
তবে শহরে তার জনপ্রিয়তা থাকলেও, তার প্রকৃত আয়-উৎস নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তিনি পুরোপুরি পরিবারের টাকার ওপর নির্ভরশীল নন। এ অবস্থায় প্রশ্ন ওঠে—তাহলে এত অর্থের জোগান আসছে কোথা থেকে?
অনুসন্ধানে জানা যায়, আবিরকে অদৃশ্য ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন। তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্য ডিফেন্সে থাকায় তিনি বারবার আইনি জটিলতা থেকে রেহাই পান। পাশাপাশি ঢাকার এক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও দুবাই-প্রবাসী আরেক ক্ষমতাধর ব্যক্তির ছত্রছায়ায় তিনি আরও বেশি নিরাপদ বোধ করেন। চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, বাংলাদেশের একজন প্রভাবশালী সাংবাদিকও নেপথ্যে তাকে সরাসরি সমর্থন দিয়ে আসছেন। ফলে তার এই অদৃশ্য ক্ষমতার জোর নিয়ে প্রশ্ন আরও বেড়েছে।
গত ৬ মাসে আবির হোসেনের ব্যাংক লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৯০ লাখ ৭৪ হাজার টাকা—যা তার প্রকাশ্য আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে সাংবাদিকরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন, গালিগালাজ করেন এবং ফোন কেটে দেন। ফলে তার বিলাসবহুল জীবনযাপন ও অর্থনৈতিক উৎসের রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।